পুস্পা দি রাইস মুভি শুরুতেই দেখা যায় জাপানের ধনী পরিবার একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে কনে তার বরকে একটি বেহালা উপহার দেয়। তবে এই বেহালাটি সাধারন কোন কাঠ দিয়ে তৈরি নয় এবং এটি সহজেই সহজলভ্য কোন গাছোর কাড় দিয়ে তৈরি করা হয়নি।
এরপর দেখা যায় লাল চন্দন কাঠ। যে কাঠটি পৃথিবীর একটি দেশেই জন্মায়। তো এই লাল চন্দন কাঠ জাপানে গিয়েছিল চায়নার বন্দর থেকে চোরাই কারবারের মাধ্যমে।
এর পরের দৃশ্যে দেখা যায় লাল চন্দন কাঠের চালানটি ভারতের চেন্নাই থেকে চুরাই কারবার এর মাধ্যমে প্রথমে চায়না তারপরে চায়না থেকে জাপানে গিয়ে ধনি পরিবারের বিয়ের বেহালা বানানোর কাঠ হিসেবে হয়েছে।
ভারতের চেন্নাই থেকে সমুদ্র পথে হাজার মাইল অতিক্রম করে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে পাচার হয় লাল চন্দন কাঠ। এরপরের দৃশ্যে দেখা যায়, এই লাল চন্দন কাঠগুলো ভারত ছাড়া পৃথিবীর আর কোথাও জন্মায় না। যে কারণে এই দুর্লভ কাঠগুলোর মূল্য অনেক বেশি।
পুষ্পা দা রাইজ মুভির কাহিনী হলো এক দিনমজুরকে ঘিরে।
যে অবৈধ পথে পাচারকৃত লাল চন্দন কাঠের সিন্ডিকেটের সাথে আস্তে আস্তে জড়িয়ে পড়ে। এরপরের দৃশ্যে দেখা যায় যে, পুলিশ একটি ট্রাকের পেছনে ধাওয়া করতে করতে ছুটছে।
আর ওই ট্রাকটি চালাচ্ছিল পুষ্পা। একটি পুলিশ গাড়ি কাছে গেলে পুষ্পা তাকে মারে এবং বলে ১০ হাজার টাকা দিবো ছেড়ে দেন। পরবর্তী বলে ২০ হাজার টাকা দিবো ছেড়ে ধদেন এভাবে ১ লাখ টাকা দেবো বললে পুলিশ তাকে অবশেষে ধরে পুলিশ ভ্যানে করে নিয়ে যেতে থাকে।
তখন পুস্পা বলে যে সবাইকে এক লাখ করে টাকা দেবো আমায় ছেড়ে দেন। পুলিশেরা তখন এক লাখ করে টাকা নিয়ে পুষ্পা কে ছেড়ে দেয়। এরপরের দৃশ্যে দেখা যায়, পুষ্পা যার হয়ে কাজ করে সেই মালিক তার সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় সে তার সামনে পা উঁচু করে বসে বসে চা খাচ্ছিল।
মালিক তাকে আদব কায়দা শিখতে বলে আর দুই হাজার টাকা দেয়। পুস্পা এক হাজার টাকা নেয় আর এক হাজার টাকা দিয়ে দেয় আর বলে বাকি টাকা দিয়ে বাজার থেকে আদব কায়দা কিনতে আনতে।
এভাবেই পুষ্পার কাহিনী হয়ে উঠতে থাকে। এরপরের দৃশ্য দেখা যায় পুষ্পা ঘুম থেকে উঠছে আর তার মাকে সুদ খোর ব্যক্তি তার পাওনা পরিশোধ করতে বলে। সবার সামনে বলতে থাকে পাওয়া পরিশোধ করতে। পুষ্পা তাদের একটা মহিষ বিক্রি করে দেনা শোধ করে।
ওই লোক যাদের সামনে বলছিল যে সে সুদের টাকা দেয়নি সবার সামনে বলতে বাধ্য করে যে পুষ্পা সুদের টাকা দিয়েছে পুরো সুদের টাকা দিয়েছে। সুদখোর ব্যক্তি সবাই কে বলার ওর পুস্পা তাকে ছেড়ে দেয়।
তারপরে দেশে দেখা যায় পুষ্পা কাজের জন্য বসে আছে তো একটি গাড়িতে ১০০ টাকা রোজ বেতনে কাজে নিচ্ছে যেটা লিগাল কাজ।
এবং অন্যটি গাড়িতে প্রতিদিন ১,০০০ টাকা রোজ বেতনে কাজে নিচ্ছে কিন্তু সেটা ইলিগ্যাল বা কাজ বেআইনি। পুষ্পা এই ইলিগ্যাল কাজে বেশি বেতনের জন্য কাজে যায়।
পুষ্পা অন্যান্যদের সাথে কাঠ কাটতে বনের মাঝখানে চলে যায়। পাহার, ঝড়না, বৃষ্টি, পানি সহ নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে এসে যখন কাঠ কাটতে থাকে।
ঠিক তার কিছুক্ষণ পরেই পুলিশরা তাদের খবর পেয়ে যায় যে তারা বনের লাল চন্দন কাঠ বেআইনি ভাবে কাঠছিলো। সব শ্রমিকেরা পালিয়ে গেলে পুষ্পা বলে আমরা টাকার জন্য কষ্ট করে কাজ করেছি তাই কেউ টাকা না নিয়ে যাবো না।
পুলিশ আসতেছে বুঝতে পেরে পুষ্পা সবগুলো কাটকে লুকিয়ে ফেলে। পুলিশ আসে এসে দেখে কাঠ কাটার শ্রমিক গুলো বসে আছে।পুলিশ অফিসার গোবিন্দাপ্পা জিজ্ঞাসা করে।
তাদের এখানে কি কাজ তারা বলে যে তারা ভেড়া চড়াতে আসছে। পুলিশ অফিসার পুষ্পাকে দেখিয়ে বলে ওর হাতে কুড়াল কেন। পুস্পা বলে আমাকে বনের বাঘের হাত থেকে বাঁচাতে পাহাড়াদার হিশেবে নিয়োগ দিয়েছে।
আমি বাঘের আক্রমন থেকে ভেড়াগুলোকে বাঁচাতএদের পাহারা দেই। তখন পুলিশ অফিসার গোবিন্দাপ্পা কিছু খুঁজে না পেয়ে চলে যায়। আসলে পুষ্পা লাল চন্দন কাঠ গুলো বনের গাছগুলোর উপর ঝুলিয়ে রেখেছিল। এটা পুলিশ দেখতেই পায়নি। পুষ্পা সব গুলো লাল চন্দন কাঠ নিচে নামিয়ে নেয়।
এভাবে পুষ্পা ভালো টাকা ইনকাম করতে ছিল। কিন্তু হঠাৎ একদিন টাস্কফোর্স ডিএসপি গোবিন্দা পুস্পাদের আবার হাতে নাতে ধরে ফেলে।
ঠিক তখনই পুষ্পা লাল চন্দন কাঠের ট্রাকটি নিয়ে ওই স্থান থেকে পালিয়ে যায়। এমন এক জায়গায় লাল চন্দন কাঠ সহ ট্রাক টা রাখে পুলিশ সারা টা জায়গায় খুঁজেও কিছুই পায় না। পুলিশ তার পিছনে ধাওয়া করতে থাকে। কিন্তু পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে সে নিজের ইচ্ছায় ধরা দেয়
পুলিশ অফিসার গোবিন্দাপ্পা প্রচুর পরিমাণে পুষ্পা কে মারে। তার মুখের কথা বা পেটের কথা বের করার জন্য এবং লাল চন্দন কাঠ গুলো কোথায় রেখেছে সেগুলো জানার জন্য কিন্তু পুষ্পা কিছুতেই বলে না সে কোথায় লাল চন্দন কাঠ সহ ট্রাক টা রেখেছে।
পুলিশ পুষ্পা কে পদবী নিয়ে নানা রকমের একটুক্টি করে। পুষ্পা তার ছোট বেলার কথা মনে করে। পুষ্পার মা পুষ্পা কে স্কুলে ভর্তি করাতে নিয়ে গেলে স্কুলের টিচার তার নামের সাথে বাবার পদবি ব্যবহার করে। তখনই পুষ্পার সৎ ভাইয়েরা তার বাবার নামের সাথে পুষ্পার নাম রাখতে নিষেধ করে। পুষ্পা এবং পুষ্পার মাকে বাজে ভাষায় কথা বলে
পুষ্পা কে পুস্পার সৎ ভাইয়েরা বলে আর কখনো আমার বাবার পদবী ব্যবহার করবি না। এভাবে ছোট বেলার কথা শেষ হয়।
এরপরে পুলিশ বাধ্য হয়ে পুষ্পা কে নিয়ে কোর্টে চালান করে দেয়। পুষ্পা কোপ্পা ব্রাদার্সের হয়ে কাজ করায় রেডি জাগ্গা ও রেডি জুলি পুস্পা কে বলে কোথায় লাল চন্দন কাঠ সহ ট্রাক রাখছত।
পুস্পা বলে আমার একটা উকিল আর ৫ লাখ দিলে বলব।
জাগ্গা রেডি রাজি হয়ে যায়।
তারা পুষ্পা কে ৫ লাখ টাকা দিলে পুস্পা তাদেরকে লাল চন্দন কাঠ সহ ট্রাক টা কোথায় লুকিয়ে ছিল সেটা দেখাতে যায়। আসলে, যখন পুলিশ পুষ্পা তাড়া করছিল তখন পুষ্পা পুরো চন্দন কাঠের ট্রাকটিকে কুয়োর মধ্যে ফেলে দেয়।
তো জাগ্গা রেডি পুষ্পা কে তার ভাগের টাকা বুঝিয়ে দেয়।
পুস্পা ৫ লাখ দিয়ে একটা গাড়ি কিনে বাসায় যায়। এভাবে এগিয়ে যেতে থাকে ছবির কাহিনী।
এদিকে করলে সব চোরা চালান কারবারি মালামাল পুলিশ একের পর এক জব্দ করতে থাকে। তখনই পুষ্পা জাগ্গা রেডির বড় ভাই কোপ্পা রেডি কে বলে আমার কাছে আইডিয়া আছে যদি আমাকে ৪% শেয়ার দাও তাহলে আমি তোমাদের মালের দায়িত্ব নেব এবং পুলিশ কোন বাধা দিতে পারবে না।
পুস্পা নতুন একটা বুদ্ধি করে।
পুষ্পা দুধের ট্রাকে উপরের অর্ধেক দুধ আর নিচের অর্ধেক লাল চন্দন কাঠ ভরে পুলিশের সামনে দিয়ে পাচার করতে থাকে।
এভাবে পুস্পা ও কোপ্পা রেডি মিলে তারা ব্যবসা ভাল চলতেছে হঠাৎ একদিন পুষ্পার সাথে দেখা হয় শ্রীভাল্লি সাথে।
প্রথম দেখাতেই শ্রীভাল্লির প্রেমে পড়ে যায় পুষ্পা এবং তাকে প্রথমে ১০০০ টাকা দিয়ে মুভির টিকিট কিনে দেয় এক নজর দেখার বিনিময়ে এবং পরবর্তী পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে চুমু খাওয়ার অফার করে।
পুষ্পা ভালোই কাজ করতেছে প্রচুর টাকা ইনকাম করতে। তো একদিন হঠাৎ পুষ্পা কোপ্পা রেডি কে বলে 5 লাখ টাকা নিব না এখন থেকে আমি চার শতাংশ শেয়ার চাই।
কোপ্পা রেডি বলে তোকে ৫ লাখ দেই আর তুই চাস ৪% শেয়ার? আচ্ছা ঠিক আছে।
পুষ্পা বলে মাত্র চার লক্ষ টাকা আমার লাগবে এতে আমরা পার্টনার। আর 5 লাখ টাকা নিয়েছিলাম ওর চাকর হয়ে।
কিন্তু এখন আমি তার পার্টনার হয়ে গেলাম ৪ পারসেন্ট শেয়ার নিয়ে।
এদিকে পুষ্পার সাথে শ্রীভাল্লির প্রেম কাহিনী ভালোই জমে উঠেছে।
একদিন শ্রীভাল্লির বাবাকে পুলিশ ধরে ফেলে তারা দুধের ট্রাকের নিচে করে লাল চন্দন কাঠ পাচার করছিল।
পুলিশ তাদের প্রচুর পরিমাণে মাীলে তারা জানিয়েছে দেয় কিভাবে পুষ্পা কোপ্পা রেডির গোডাউনে লাল চন্দন কাঠ গুলো রেখেছে। এদিকে চোরাচালান সিন্ডিকেট এসব মালামাল পুলিশের একের পর এক জব্দ করতে থাকে আর চোরাচালানি সিন্ডিকেটের বস মঙ্গলাম শ্রীনু।
মঙ্গলাম শ্রীনু তার সমস্ত মাল কোপ্পা রেডির গোডাউনে জমা রাখে। কোপ্পা রেডির গোডাউনের কাজ হ্যান্ডেল করত পুষ্পা। একদিন পুলিশ জেনে যায় যে কোপা রেড্ডির গোডাউনে প্রচুর পরিমাণ অবৈধ লাল চন্দন কাঠ রয়েছে।
পুলিশ কোপা রেড্ডির গোডাউনে হামলা দেওয়ার জন্যে রওনা হয়। এদিকে পুস্পা জেনে যায় যে পুলিশ আসতছে। পুস্পা কিভাবে এতো মাল লুকাবে বুঝতে পারে না। তখন পুস্পা সব লাল চন্দন কাঠ নদীর স্রোতে ভাসিয়ে দেয়।
পুলিশ এসে কোন কিছু না পেয়ে চলে যায়। তখন পুলিশ গোবিন্দাপ্পা কোন কিছু না পেয়ে চলে যায়। আর পুষ্পা কে বলে তুই জিতে গেছিস। লাল চন্দন কাঠের সিন্ডিকেটের প্রধান মঙ্গলাম শ্রীনুর এতগুলো লাল চন্দন কাঠ চোরাইপথে সঠিকভাবে পাচারের জন্য সে পার্টির আয়োজন করে
সেই পার্টিতে পুষ্পা জানতে পারে যে প্রতি টন মালের জন্য মঙ্গলাম শ্রীনু পার্টির সবাই কে ২৫ লাখ করে দিচ্ছে আর সেগুলো চেন্নাই নিয়ে মঙ্গলাম শ্রীনু দুই কোটিতে বিক্রী করছে।
কিন্তু দুঃখের বিষয় যে সবাই এটা যেন কেউ মঙ্গলাম শ্রেণীর বিপক্ষে কথা বলতে চায় না। যে মঙ্গলাম শ্রীনুর বিপক্ষে কথা বলে তাকেই মেরে ফেলে মঙ্গলাম শ্রীনু।
এদিকে আবার পুষ্পা আর শ্রীভাল্লির বিয়ের সব আয়োজন চলতে থাকে। কিন্তু দুঃখের বিষয় তখনই পুষ্পার মা কে নিয়ে তার সৎ ভাইয়েরা পুষ্পার পদবী নিয়ে সন্দেহ তলায় সেই বিয়ে ভেঙে যায়।
তখন পুষ্পা তার ছোটবেলার কথা মনে করে যখন তার বাবা মারা যায় পুষ্পা তার বাবাকে দেখতে পারে নি তার সৎ ভাইয়েরা তাকে বাধা দেয়।
পুষ্পার বাবা মারা যাওয়ার পর তার সৎ ভাইয়েরা তার মা কে বাসা থেকে বের করে দেয়। পুষ্পা আর তার মাকে অনেক বাজে কথা বলে অপমান করে।
পুষ্পার বাবা ছোটবেলার একটি রকেট দিয়ে ছিলো সেটা ও তার ভাইয়েরা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এরকম কল্পনা করতে থাকায় শেষ হয় পুষ্পা ছোটকালের কল্পনা।
এরপরের দৃশ্যে দেখা যায়,পুষ্পা মঙ্গলাম শ্রীনুর কাছে প্রতি টন ১ কোটি টাকা করে চাইতে যায়। মঙ্গলাম শ্রীনু একটি লোককে প্রতি টন ২৫ লাখ যথেষ্ট নয় প্রতি টন লাল চন্দন কাঠের জন্য ৫০ লাখ চাইছিল।
আর তাই মঙ্গলাম শ্রীনু লোকটাকে প্রচুর পরিমাণে পেটাচ্ছিল এবং শেষ পযন্ত মেরে ফেলে। দৃশ্য দেখার পরেু পুষ্পা তার কাছে প্রতি টন লাল চন্দন কাঠ এক কোটি টাকা দাবি করে। মঙ্গলাম শ্রীনু ও অবাক হয়ে যায় এবং কোন কথা বলতে পারে না।
এরপর দেখা যায়, পুষ্পা একদম সরাসরি চেন্নাইয়ের প্রধান চোরা চালান কারীর সাথে ২ কোটি করে প্রতি টন লাল চন্দন কাঠ বিক্রির কথা বলে। সব কথা বলার পর পুষ্পা দুই কোটিতে প্রতিটন লাল চন্দন কাঠ বিক্রি করতে চুক্তি করে।
পুস্পা কোপা রেডি কে বলে যে যে দেড় কোটি করে দর ঠিক করেছে। তখন কল টা শুনে একটু অবাক হয়ে যায় কোপা রেডি। পুষ্পা কোপা রেডি কে বলে ৫০% শেয়ার দিতে।
এদিকে আবার পুষ্পার গার্লফ্রেন্ড শ্রীভান্নি কে জাগ্গা রেডি কে বলে যে তোমার বাবাকে আমি আটকে রেখেছে এবং তুমি আমার সাথে একরাত থাকলে তোমার বাবা কে নিতে পারবে।
শ্রীভান্নি কিছু না বলে রাতে সেজেগুজে সোজা পুষ্পা র কাছে গিয়ে তার প্রেমের কথা বলে। পুষ্পা জাগা রেডি কে অনেক মারে। মারতে মারতে পঙ্গু করে দেয়। জাগা রেডি কে এমন ভাবে মারে যে সে কথাই বলতে পারে না
কিন্তু কোপা রেডি কোন ভাবে জেনে যায় যে পুষ্পা তার ভাই কে মেরেছে। প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য কোপা রেডি একটা কাজের কয়েক কোটি টাকা নিয়ে পুষ্পা কে একটি নতুন গোডাউনে নিয়ে যায়। যাওয়ার পথে গাড়িতেই পুষ্পা কে হাত-পা বেঁধে এবং মাথায় একটি কাপড় পড়িয়ে রাখে।
এর পরে পুষ্পা কে কোপা রেডি মারে আর একটি কবর খুরে সেখানে। পুষ্পা কে জ্যান্ত মাটি দেওয়ার জন্য। ঠিক তখনই মঙ্গলাম শ্রীনুর সালা সহ আরো অনেক গুলো লোক কোপা রেডির সাথে গোলাগুলি করতে থাকে।
যখন সব লোকজন গোলাগুলিতে ব্যস্ত হয়ে যায় এবং সবাই সবাইকে মারতে থাকে। এমন সময় একটা গুলি কোপা রেডির মাথায় করলে সে মারা যায়।
কোন ভাবে পুষ্পা রেডি পালিয়ে যেতে যেতে সবাই কে এক এক করে মারতে থাকে। এই যুদ্ধ শেষ হলে মঙ্গলাম শ্রীনুর বউয়ের ভাই এবং জাগ্গা রেডির ভাই কোপা রেডি মারা যায়। কোপা রেডির বাড়িতে কোপা রেডির মৃতদেহ দেখার জন্য এমএলএ সাহেব আসে। এবং মঙ্গলাম শ্রীনু তার বউয়ের ভাইয়ের লাশ নেওয়ার জন্যই বাড়িতে আসে।
তখন পুষ্পা সবাই কে বলে যে মঙ্গলাম শ্রীনু আমাদের কাছ থেকে ২৫ লাখ টাকা করে মাল কিনে, সেই মাল চেন্নাইয়ে দুই কোটি টাকাতে বিক্রি করে। এটা জেনে সিন্ডিকেটের সবাই অবাক হয়ে যায় এবং পুষ্পা বলে যে আমি দায়িত্ব নিতে চাই সরাসরি চেন্নাইয়ে মাল বিক্রি করার জন্য এমএলএ পুস্পাকে দায়িত্ব দেয়।
সেই সাথে সবাই পুষ্পাকে দায়িত্ব দেয়, পুষ্পা লাল চন্দন কাঠ ২ কোটিতে চেযাইয়ে বিক্রি করতে থাকে। এভাবেই পুষ্পা লাল চন্দন কাঠ চোরাচালানের সিন্ডিকেটের প্রধান হয়ে যায়।
ওইদিকে মঙ্গলাম শ্রীনু তার বউয়ের ভাইয়ের হত্যার প্রতিশোধ নিতে ব্যর্থ হওয়ায় মঙ্গলাম শ্রীনু তার বউয়ের হাতে খুন হয়। থানার আগের এসপি ইন্সপেক্টর গোবিন্দপ্পা একজনকে এনকাউন্টারে মেরে ফেলায় পদত্যাগ করে
জাগ্গা রেড্ডি ও তার ভাই দুজনে তাদের ব্যবসা আগের মতোই চালিয়ে যায়। ঠিক তখনই আবির্ভাব হয় এসপি ভানভার র্সিং সাখাওয়াত যাকে আমরা সবাই ফাহাদ ফাসিল নামে চিনি। এসপি ভান সিং শেখাওয়াত এসে পুরো গল্পের ই মোর ঘুরিয়ে দেয়।
ওইদিকে পুস্পার বিয়ে ঠিক হয়ে যায়।
বিয়ে করার জন্য প্রস্তুত হয় এবং সেই সেই বিয়ের কার্ড নিয়ে নতুব এসপি ভান সিংয়ের কাছে যায়। তাকে বিয়ের দাওয়াত ও ২ কোটি টাকা দেয় পুস্পা।
ভান সিং বলে যে টাকা কম আছে।
সবাই মিলে গুনে দেখে টাকা ঠিকই আছে
আবার গুনে ঠিকই আছে, যত বার বলে টাকা কম নেই ঠিক আছে ততবার ই ভান সিং বলে কম আছে।
এমন করতে করতে শেষ পযন্ত তখন ভান সিং কে পুস্পা বলে "স্যার" ঠিকই আছে। আরো চাই নাকি আপনার। কত দিতে হবে বলেন। ভান সিং বলে এই "স্যার" ডাক টুকুই কম ছিলো।
ভান সিং পুস্পার পদবি নিয়ে তাকে বাজে কথা বলে।
এভাবে পুস্পা ভান সিং কে টাকা দিয়ে একটা পর একটা দিয়ে হাতের মুঠো করে নেয়। এই দিকে বিয়ের দিন পুস্পা ও ভান সিং পাহাড়ের চুড়ায় বসে মদ খায়।
ঐ দিকে এমএলএ সহ সবাই পুষ্পার জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। পুষ্পা নেই কোথায় গেলো সবাই বসে আছে। মদ খেতে খেতে পুস্পা বলে ঐ দিন আমার মাকে নিয়ে আমার পদবি নিয়ে যে কথা গুলো বলেছো সব মনে আছে।
ভান সিং বলে আরে বাদ দে।
তখনই পুস্পা ভান সিংয়ের পিস্তল নিয়ে তার হাতে গুলি করে।
এর পরে পুস্পা নিজের সব পোশাক খুলে ফেলে।
ভান সিংয়ের সব কাপড় ও খুলে ফেলে। এর পরে পুষ্পা বলে তোমার কাপর খুলে ফেলায় রাস্তার কুকুর ও তোমায় চিনবে না।
আমার পোশাক থাকলেও সবাই আমায় পুস্পা নামে চিনবে আর পোশাক না পড়লেও সবাই আমায় পুস্পা নামেই ডাকবে। এসব বলে পুস্পা হাফ প্যান্ট পড়ে চলে আসে তার বিয়ের আসনে এসে বিয়ের মালা পড়ায় শ্রীভাল্লিকে।
ঐ দিকে এসপি ভান সিং সেখাওয়াত হাফ প্যান্ট পরে বাসায় গেলে তার কুকুর ও তাকে চিনতে পারে না। হাতে থাকা পিস্তল দিয়ে ভান সিং তার কুকুর টাকে গুলি করে মেরে ফেলে। এভাবেই শেষ হয় পুষ্পা দা রাইজ পার্ট এক এর কাহিনি।
x
0 মন্তব্যসমূহ