Ticker

6/recent/ticker-posts

যেখানে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি কাজ করে না - Breaking Surface Full Movie Explain

braking surface 2020, Breaking surface movie explain, breaking surface full movies explain,

হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছো সবাই। আশা করি সবাই অনেক ভালো আছেন। আজকে আমি আপনার সাথে শেয়ার করব নরওয়ে ও ডেনমার্কের একটি সারভাইভাল ফিল্ম ব্রেকিং সারফেস এর এক্সপ্লেইন নিয়ে। 

হ্যাঁ নরওয়ের ও সুইডেনের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ২০২০ সালে সবচেয়ে আলোচিত সারভাইভাল মুভি ব্রেকিং সারফেস (Breaking Surface) ।


ব্রেকিং সারফেস মুভির প্রথম দৃশ্য দেখা যায় যে,

একটি বাচ্চা পানিতে সাঁতার কাটছে আছে। যার নাম ইদা।

তার ছোট সৎ বোন তুভা।

ইদা ডুব দিয়ে ওঠলেও তুভা ডব দিয়ে ওঠে না।

ইদা তখন সাহায্যের জন্য তার মাকে মা বলে ডাক দেয়। 

তখন তার মা এসে তুবা নামের বাচ্চাটিকে পানি থেকে তুলে ডাঙায় নিয়ে আসে।

এর পরের দৃশ্যে দেখা যায় যে,

অনেক বছর পর তুবা বড় হয়ে গেছে।

তুবা একটি জাহাজে কাজ করে।

যেখানে তাকে ডুবুরির বিভিন্ন কাজ করতে হয়। তো একদিন তুবা কে জাহাজের পাখায় আটকে থাকা বিভিন্ন আগাছা পরিষ্কার করতে যেতে বলা হয়। 

তুবা ডুবুরির পোশাক পড়ে অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে পানিতে ডুব দেয়।

তুবা জাহাজের পাখার নিচে গেলে সে ওয়াকি টকির মাধ্যমে তার অপর কর্মীকে জানায় যে পাকাটি কি বন্ধ রয়েছে? 

লোকটি জানায় যে পাখাটি বন্ধ আছে।

তুহা ওয়াকি-টকির মাধম্যে জানায় যে জাহাজের নিচে প্রচুর সারফেস বা পৃষ্ট টান রয়েছে। 

তুভা জাহাজের পাখার আবর্জনা ছাড়িয়ে দেওয়ার ঠিক তখনি জাহাজের পাখাটি চলা শুরু করে। তুবা অক্সিজেন মাক্স খুলে কোন রকমে জাহাজের একটা অংশ টেনে ধড়ে।

তুবা কোনরকমে এ যাত্রা থেকে বেঁচে যায়। 

তুবা উপরে ওঠে যে তাকে মিথ্যা বলেছিল যে ইঞ্জিন বন্ধ আছে  তাকে মারতে যায় কিন্তু সবাই তাকে বাধা দেয়।

এর পরের দৃশ্যে আমরা দেখতে পাই যে,

তুবা আর সেই ছোটবেলার বড় বোন ইদা যে সুইডেন থেকে তার মা এবং ছোট বোন তোমার সাথে সময় কাটানোর জন্য এসেছে।

তুবা ইদা কে এয়ারপোর্ট থেকে রিসিভ করে বাসায় নিয়ে যায়।

এর পরের দৃশ্যে আমরা দেখতে পাই যে,

ইদা ও তার ছোট বোন তুভা দুজনে মিলে সুইমিং করার জন্য উত্তর নরওয়ের একটি র্হদ এ যায়। 

যাওয়ার পথে তাদের সামনে একটি নষ্ট গাড়ি পড়ে। যে গাড়ির চাকা পাংচার হয়ে গিয়েছে। তুবা গাড়ির চাকা ঠিক করতে গেলে ঐ গাড়ির মালিক জানায় যে গাড়িটি ঠিক করার জন্য লোক আসছে। এদিকে ইদা তুবা কে মানা করে এসব না করতে।


তবুও তুবা জগ বের করে গাড়ির চাকা ঠিক করতে যায়। 

কিন্তু যখন সে ঠিক করতে যাবে ঠিক তখনই গাড়ী ঠিক করার মিস্ত্রি এসে পড়ে। 

তখন তুবা তার বোন ইদা কে সঙ্গে নিয়ে সারফেস এরিয়াতে চলে যায়।


এরপরের দৃশ্যে দেখা যায়, 

 ইদা ও তুবা মিলে পানিতে সুইমিং করার যা যা অক্সিজেন সিলিন্ডার মাক্স, ডিবিডি( যে টা পানিতে ভেসে থাকতে ব্যবহার করা হয়) সহ সব একে একে নদীর কিনারে বের করে আনে। 


তুবা ও ইদা যখন এসব যন্ত্র বের করতে ছিলো ঠিক তখনই পাশে থাকা পাহাড় থেকে এক টুকরো পাথর পড়ে যন্ত্রপাতির উপর। 

তখন তুবা সিদ্ধান্ত নেয় যে তাদের অক্সিজেন সহ বাকি জিনিস গুলো পাহাড় ঘেঁষে একদম কিনারে রাখবে।

তুবা তখন অক্সিজেন সাপ্লাই সহ সব পাহাড়ের কিনারায় রাখে।


তুভা এবং ইদা পানির নিচে ডুব দেওয়ার জন্য সবকিছু পড়ে পানিতে নামে।


এর পরে দৃশ্যে দেখা যায়, 


তুবা ইদা পানির নিচে একটি স্থানে নিয়ে যায়। যেখানে তুবা ও তার মা প্রায় আসত।

তুবা ইদা কে তার অক্সিজেন ছাড়তে বলে।

ইদা বাধা দেয়।  তুবা বলে যে কোন সমস্যা হবে না।

একটু অক্সিজেন ছাড়ো।

এর পরে ইদা ও তুবা কিছু টা অক্সিজেন পানির নিচে ছাড়ে। ছাড়ার পর এক জায়গায় গিয়ে সব জমা হয়।

তবা আর ইদা সেখানে মাক্স খুলে নিস্বাস নেয়।  এর পর তুবা ইদা কে দেখায় তুবা ও তুবার মা তাদের নামের প্রথম অক্ষর ও লিখে রেখেছে।

এর পরের দৃশ্যে দেখা যায়, ইদা ও তুবা পানির নিচে সাতরানোর পর উপরে ওঠে আসবে। নিরাপদে সুইম শেষ করে উঠে আসার জন্য তুবা ইদা কে সেফটি স্টপ ব্যবহার করতে বলে। 

ইদা আর তুবা নিরাপদ উপরে ওঠে আসার জন্য ৩ মিনিট সেফটি স্টপে দাড়িয়ে থাকে। এমন সময় ইদা আর তুবা কয়েকটি ডলফিন দেখতে পায়। 

ডলফিন গুলো দেখতে দেখতে হটাৎ ডলফিন গুলো পালিয়ে যায়। তুবা ইদা কে বলে পালিয়ে গেল কেনো ওরা। আর তখনই উপর থেকে বিশাল একটি পাথর তুবার উপরে পড়ে।

তুবা পাথরের নিচে পড়ে একেবারে ৩৩ মিটার পানির নিচে তলিয়ে যায়। তুবা পাথরে আটকে থাকে। ইদা তুবা কে খুঁজতে থাকে। 

ইদা ভয় পেয়ে যায় সে তুবার সাথে ওয়াকি টকির মাধ্যমে কথা বলতে থাকে এবং তুবা তাকে বলে শুধু রিলাক্স হওয়ার জন্য যাতে যথেষ্ট পরিমান অক্সিজেন বাচিয়ে রাখা যায়। 

এর পরে তবা ইদাকে বলে তোমার সুইমিং জ্যাকেট থেকে একটি সুতা বের করে এর এরে ইদা সুতা বের করার পর ফ্ল্যাস লাইট দিয়ে তুবা কে খোঁজো।

অনেক খোঁজার পর ইদা তুবা কে খুঁজে পায়। 

ইদা দেখতে পায় তুবা একটি বড় পাথর আটকে আছে ইদা অনেক চেষ্টা করে পাথর সরাতে কিন্তু কিছুতেই পাথর সরিয়ে বের হতে পারছে না তাকে।

এর পরে তুবা ইদা কে বলে

তুমি আমার জন্য উপরে গিয়ে সাহায্য চাও। আর উপরে গিয়ে আমার জন্য অক্সিজেন নিয়ে আসো। সাথে পাথর সরানোর জন্য জগ টা নিয়ে এসো।

braking surface 2020, Breaking surface movie explain, breaking surface full movies explain,

এরপরের দৃশ্যে দেখা যায়, ইদা উপরে যায়। 

উপরে গিয়ে ইদা দেখতে পায় যে অক্সিজেন সিলিন্ডার সহ অন্যন্য জিনিস গুলো তারা পাহাড়ের কিনারায় রেখেছিলো সেগুলোর উপর পাথর চাপা পড়ে আছে।

ইদা তুবা কে ওয়াকিটকি দিয়ে জানায় সব পাথরের নিচে চাপা পড়ে গেছে।

তুবা ইদা কে বলে গাড়িতে আরো অক্সিজেন আছে ঐ গুলো নিয়ে আসতে। ইদা তাড়াতাড়ি ছুটে যায় গাড়িতে। 

কিন্তু গাড়িতে গিয়ে দেখতে পায় যে গাড়ি তালাবদ্ধ রয়েছে। গাড়ীর চাবি পাথরের নিচে চাপা পড়ে আছে।

ইদা পাথর দিয়ে গাড়ির জানালা ভেঙে অক্সিজেন বের করে আনে। আর গাড়ি তে থাকা ফোন খুঁজে সাহায্যের জন্য ফোন করবে 

কিম্তু কোথাও ফোন পায় না। ফোন টা ও পাথরের নিচে চাপা পড়ে আছে। ইদা গাড়ী থেকে একটা মানচিত্র পায়। 

যেখানে দেখা যায় এই সুইমিং প্লেস থেকে যে বাড়ি টা সবচেয়ে কাছে সেটা প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে। ইদা গাড়ি থেকে দুটি অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে তুবার কাছে যায়।

ইদা যখন ডুব দিতে যাবে ঠিক তখনই একটি বিমান ইদার মাথার উপর দিয়ে যায়। ইদা সাহায্য চাওয়ার জন্য একমাত্র হেল্প লাইটটা জ্বালায়। কিন্তু কোন কাজ হয় না।

ঐদিকে তুভার অক্সিজেন ফুরিয়ে যাওয়ায় ইদা ডুব দিয়ে তুবার কাছে চলে যায়। তুবা কে বলে যে গাড়ি থেকে কারো কাছে সাহায্য চাইতে পারি নি। তুবা ইদাকে উপরে গিয়ে গাড়ির পিছন থেকে জগ আনতে বলে।

এর পরে দেখা যায়, ইদা উপড়ে ওঠে গাড়ির পিছন থেকে জগ বের করার চেষ্টা করে। কিন্তু কিছুতে পারে না।

এর পরে ইদা গাড়ি থেকে একটা মান চিত্র নিয়ে কাছাকাছি ১ কিলোমিটার দূরে যে বাড়ি ঐ বাড়িতে যায়।

গিয়ে সেখানে সাহায্য চায়। কিন্তু কোথাও কাউকে পায় না। ইদা একটি পাথর দিয়ে ঘরটির দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে। ইদা ভিতরে ঢুকে দেখতে পায় একটা কুকুর। 

কুকুর টা ইদাকে আক্রমন করে। ইদার পায়ে কুকুর কামরে দেয়। এতে ইদার সুইমিং ড্রেস ছিরে যায়।

ইদা একটা ছুড়ি দিয়ে কুকুর টাকে মেরে ফেলে। এর পরে ইদা ঐ ঘরে সাহায্যের জন্য কিছু খুজতে থাকে।কিন্তু কিছুই পায় না।

ইদা একটা ল্যাপটপ দেখতে পায়। ল্যাপটপে কোন ইন্টারনেট কানেকশন ছিলো না। ইদা কি করবে কিছুই বুঝতে পারে না।

এর পর ইদা ঐ ঘর থেকে একটা হাতুরি ও একটা লেগার টুকটা নিয়ে সুইমিং স্পটে চলে আসে।

ইদা এসে হাতুরি ও লোহার টুকরা দিয়ে গাড়ির পিছনে থেকে পাথর সরানোর জগ বের করার চেষ্টা করে। অবশেষে ইদা গাড়ির পিছন খুলে দেখতে পায় সেখানে জগ নেই। 

ইদার মনে পড়ে জগ টা পথে একটা নষ্ট গাড়ির চাকা মেরামতের জন্য তুবা বের করেছিলো। ইদা ভেঙে পড়ে কি করবে বুঝতে পারে না। 

তখন ইদা দেখতে পায় একটা সাইনবোর্ড সেটা এক টুকরো লম্বা কাঠ দিয়ে বাধা। ইদা ঐ কাঠের টুকরো টা নিয়ে নেয়।

এরপরে ইদার সুইমিং ড্রেস কুকুরে কামড়ে ছিড়ে ফেলেছিলো ঐ টা গাড়িতে থাকা আঠা দিয়ে জোরা লাগায়। ঐ দিকে তুবার অক্সিজেন ফুড়িয়ে আসছে।

এরপরে ইদা কাঠের টুকরো নিয়ে তুবার কাছে ফিরে যায়। তুবার কাছে গিয়ে ইদা কাঠের টুকরো দিয়ে পাথর সরানোর চেষ্টা করে।

কিন্তু কিছুতেই সরাতে পারে না। এক সময় কাঠের লাঠি টা ভেঙে যায়। তুবা ইদা কে বলে ডিভিডি র ভিতরে অক্সিজেন ভরে পাথর সরানোর জন্য।

এদিকে অক্সিজেন ও কম আছে আবার একটা অক্সিজেন সিলিন্ডার কাজ করে না। 

তুবা ইদাকে বলে বিভিডি (ডুবুরিরা পানিতে ডুবে ও ভেসে থাকার জন্য যে ব্যাগ ব্যবহার করো ঐ টাকে ডিভিডি বলে) টা পাথরে নিচে দিতে এর পরে ডিভিডি র ভিতরে বাতাস দিলে সেটা ফুলে পাথর সরিয়ে দিবে।

ইদা ডিভিডি র মধ্যে অক্সিজেন ভরে কিন্তু ডিভিডি র মুখ ছিড়ে গিয়েছিলো। যেকারণে অক্সিজেন দিলে বেরিয়ে যাচ্ছিলো।

তুবা ও ইদা দুজনেই হাল ছেড়ে দেয়। এদিকে অক্সিজেন ও কমে আসছে। হয় তুবা কে সব অক্সিজেন দিয়ে ইদা উপরে ওঠে আসবে আর যতক্ষন অক্সিজেন আছে ততক্ষণ তুবা বেঁচে থাকবে।

ইদা বেঁচে থাকা শেষ অক্সিজেন তুবা কে দিয়ে এক ডুবে উপরে ওঠে আসে।

ইদা যখন উপরে ওঠে আসে তখন ইদা আসার সময় সেফটি পয়েন্ট যথেষ্ট সময় অপেক্ষা করেনি।

যেকারনে এক ডুবে উপরে উঠে আসায় সারফেস পয়েন্ট ব্রেক করে এতে করে ইদা উপরে ওঠে আসলে তার নাক দিয়ে রক্ত বের হয়।

braking surface 2020, Breaking surface movie explain, breaking surface full movies explain,


ইদা উপরে ওঠে আসলে সামনে দেখতে পায় তাদের কুকুরের সামনে একটি আঠার স্পে।

যেটা দিয়ে ইদা তার সুইমিং ড্রেস এর ফুটো জোরা লাগিয়ে ছিলো।

braking surface 2020, Breaking surface movie explain, breaking surface full movies explain,


হটাৎ!

ইদার মাথায় তখন একটি বুদ্ধি আসে। ইদা আঠা নিয়ে আবার পানিতে ডুব দেয়।

এর পরে পানির নিচে গিয়ে তুবার কাছ থেকে একটু একটু করে অক্সিজেন শেয়ার করে ডিভিডির যে অংশ দিয়ে বাতাস বের হতো ঐ অংশ আঠা দিয়ে জোড়া লাগায়। জোড়া লাগিয়ে সেটার ভিতরে অক্সিজেন ভরে পাথর সরিয়ে ফেলে। এর পরো ইদা আর তুবা পানির নিচে ঐ অংশে যায়। যেখানে তারা অক্সিজেন ছেড়ে খালি স্থান বানিয়েছিলো। 

তুবা ইদা কে বলে তুমি বারে বারে পানির নিচে আসা যাওয়া করার কমপক্ষে ৩০ মিনিট সেফটি পয়েন্টে থাকতে হবে।

ইদা ও তুবা সেফটি পয়েন্ট থাকলে সেখানে কার্বন ডাই অক্সাইড বেড়ে যায়।

তখন তুবা ডুব দিয়ে পানির নিচে থেকে ঐ অক্সিজেন সিলিন্ডার টা নিয়ে আসে যেটার মুখ বন্ধ হয়ে গিয়ে ছিলো। 

তুবা সেটা নিয়ে আসলে ইদা তাকে সাহায্য করে। এরপরে ইদা ও তুবাসেই অক্সিজেন এর মুখ পুরো টা ভেঙে সেফটি পয়েন্ট অক্সিজেনে ভরে ফেলে।

এর পরে দুই বোন খুব খুশি হয় তারা দুজন উল্লাস করে যে তারা নিরাপদে রয়েছে। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরী হয়ে গিয়েছে প্রকৃতির এই নিয়ম যে সবাই কে মানতেই হয়। 

সারফেস সেফটিপয়েন্ট বারে বারে অতিক্রয় করে উপরে যাওয়া আসা করায় ইদা সারফেস ব্রেক করে। সেফটি পয়েন্টে সঠিক সময় অবস্থান না করার কারণে ইদার  নাক দিয়ে রক্ত বের হতে থাকে। 

তুবা ইদাকে জরিয়ে কাঁদতে থাকে। এক সময় তুবা ইদা কে নিয়ে উপরে উঠে আসে। তখনই তাদের উদ্ধার করার জন্য রেসকিউ টিম ও হেলিকপ্টার নিয়ে চলে আসে।

ইদা ও তুবা দুই বোন তখন নদীর কিনারে শুয়ে থাকে। ঠিক তখনই ইদা চোখ খুলে। ইদা এখনো মরেনি। 

বারো বারে সেফটি এরিয়া তে সারফেস পয়েন্ট ব্রেক করায় ইদা জ্ঞান হারিয়ে কোনরকমে এখনো বেঁচে আছে।


এভাবেই শেষ হয়ে যায় ১৯৯০ একর দশকে নিউইয়র্ক টাইম এর বেষ্ট সেলার খেতাব পাওয়া বিখ্যাত বই "দা ব্রেকিং সারফেস" অবলম্বনে নির্মিত নরওয়ে ও সুইডেন এর একটি সারভাইভাল মুভি ব্রেকিং সারফেস মুভির কাহিনি। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ