আমেরিকান মনস্টার মুভি ২০১৪ সালে মুক্তি পায় কং: কাল আইল্যান্ড মুভিটি। এরপরে ২০১৭ সালে মুক্তি পায় "গডজিলা: কিং অব দি মনস্টার"। তারই ধারাবাহিকতায় গডজিলা ও কং কে নিয়ে ২০২১ সালে আসে "গডজিলা ভার্সেস কং" মুভিটি।
ডিরেক্টর অ্যাডাম উইনগার্ড ২০২১ সালে লিজেন্ডারি'স মনস্টার ভার্স" এর চতুর্থ কিস্তির মুভি "গডজিলা ভার্সেস কং" মুভিটি তৈরি করে। আইএমডিবি রেটিংয়ে এপযন্ত প্রায় ২ লাখ ব্যবহারকারীর মধ্যে ১০ স্টার এর ভিতরে ৬ পয়েন্ট ৪ স্টার পায়। এছাড়াও গুগল ব্যবহারকারীরদের কাছে প্রায় ৯২% মানুষের কাছে ভালো লাগে। গডজিলা ভার্সেস কং ২০২১ মুভিটি বক্স অফিস প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার নেট কালেকশন করে।
মুভির শুরুতেই একটি আইল্যান্ড দেখা যায় যেখানে কং কে ঘুম থেকে ওঠে গোসল করতে দেখা যায়। সেখানে একটি ছোট মেয়ে কে দেখা যায়। মেয়েটি কং কে অনেক পছন্দ করে কং ঐ মেয়েটার ইশারায় কথা বলা বুঝতে পারে।
এই মেয়েটি না কিছু বলতে পারে না কিছু শুনতে পারে। যেকারণে মেয়েটিকে কং ও অনেক পছন্দ করে। কং মেয়েটার সাথে ইশারায় কথা বলে একটু অসস্তিবোধ করে। এরপরে কং একটি গাছ মাটি থেকে তুলে আকাশের দিকে ছুড়ে মারে।
এতে করে কৃতিম আকাশে থাকা এনার্জি ভল্ট ফুটো হয়ে যায়। আসলে কং এর কাছে যেন গডজিলা না আসতে পারে সেজন্য কং কে একটি আইল্যান্ডে চারপাশে বেড়া দিয়ে বন্ধী করে রাখা হয়েছে।
কেননা এই দুই মনস্টার যদি আবার মুখোমুখি হয় তাহলে আবার পৃথিবীর অশান্ত হয়ে যাবে। এদিক কং দিন দিন অনেক বড় হয়ে যাচ্ছিলো। যে কারনে কতৃপক্ষ কং কে অন্য কোন স্থানে সরিয়ে নেওয়ার প্ল্যান করে।
এরপরে আমরা একটা লোক কে দেখতে পাই যে একটা কোম্পানির হয়ে কাজ করে। আসলে সে ছিলো একজন হ্যাকার। আর সে যে কোম্পানিতে কাজ করত সেই কোম্পানি মর্ডার্ন ইলেকট্রনিক জিনিস বানাতো।
কিন্তু হ্যাকারটার কাছে কোম্পানির কাজ কর্ম সন্দেহজনক মনে হয়। কেননা এই কোম্পানির কাজের সাথে তার কাজের মিল ছিলো না। একদিন সে ঐ কোম্পানির ডাটা হ্যাাক করে। এরপরে সে দেখতে পায় এই কোম্পানি কোন একটা জিনিস হংকং এ শিফট করতে চলেছে।
ঠিক তখনই খুব জোরে এর্লাম বাজতে থাকে। আসলে ঐ টা ছিলে গডজিলার এর্লাম কাছে আসার এর্লাম। এরপরে দেখা যায় গডজিলা সমুদ্র থেকে ওঠে সব কিছু ধংস করতে থাকে। কিন্তু কেউ ই বুঝতে পারছিলো না যে গডজিলা কেন সবাই কে মারছে বা কেনই সব কিছু ধংস করছে।
কেননা এর আগে প্রতিবার গডজিলা মানুষ কে বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন দাবনদের কাছ থেকে রক্ষা করেছে। এরপরে জানা যায় যে গডজিলার কাছে একটি ক্ষমতা আছে। সেই ক্ষমতা টা আসলে নিউক্লিয়ার পাওয়ার ছিলো। গডজিলা তার নিউক্লিয়ার পাওয়ার দিয়ে পুরো কোম্পানি ধংস করতে থাকে।
এর পরে সারা বিশ্বে খবর ছড়িয়ে পরে যে গডজিলা সব ধংস করে দিচ্ছে। কিন্তু সবাই অবাক হয়ে গেছে কেননা এই গডজিলা তাদের অনেক দানবদের কাছ থেকে সবাই কে রক্ষা করেছে। আর তখন ঐ কোম্পানির মালিক সবাই কে বলে যে তাদের কোম্পানি একটি ডিজিটাল ডিভাইস তৈরি করেছে যেটা শীগ্রই গডজিলা কে মোকাবেলা করবে।
এই খবর স্কুলে বসে একটি মেয়ে দেখছিলো। যার নাম ম্যাডিসন। সে বুঝতে পারে না যে গডজিলা এত ভয়ংকর কিভাবে হয়। গডজিলা তো সব সময় আমাদের মত মানুষদের রক্ষা করে থাকে। কেননা ম্যাডিসন খুব ভালো করেই গডজিলা কে জানত।
ম্যাডিসন তার বাবার কাছে যায়। গিয়ে তার বাবাকে নলে যো গডজিলা কখনও শুধু শুধু এমন আচরণ করতে পারে না। গডজিলার সাথে হয়ত কিছু একটা হয়েছে যে কারণেই গডজিলা এত আক্রমনাত্মক হয়ে ওঠেছে। তখন ম্যাডিসনের বাবা তাকে বলে যে গডজিলা একটা দানব। মানুষের যেমন মন মানসিকতা পরিবর্তন হয়।
দানবদের হয় সে কারনেই গডজিলা এমন ভয়ংকর হয় ওঠেছে। বাবার কথা বিশ্বাস না করে ম্যাডিসন চলে যায়। ম্যাডিসন ঐ হ্যাকারের অনলাইন ঐ কোম্পানির বিভিন্ন গোপন বিষয়ের অডিও প্রকাশ করে। এরপরে ম্যাডিসন ঐ হ্যাকারের সাথে দেখা করার সিদ্ধান্ত নেয়। তার কাছ থেকে জানতে চাইবে এসব কি হচ্ছে বা কেনই হচ্ছে।
ম্যাডিসন ভাবতে থাকে যে হটাৎ গডজিলা এত ভয়ংকর হয়ে ওঠলো কেন। আর কেনই বা ঐ কোম্পানি গডজিলা নিউক্লিয়ার পাওয়ার দিয়ে ধংস করে দিলো?
ঐ কোম্পানির মালিক ডক্টর নেথান এর সাথে দেখা। ডক্টর নেথান আসলে একজন সাইন্টিস্ট। কোম্পানির মালিক ডক্টর নেথান কে বলে যে হলো আর্থ সত্যিই আছে যেখানে গডজিলা আর কং এর মতো দানবদের বসবাস।
আসলে ডক্টর নেথান একটি বই লিখেছিলো। যেখানে সে বলে যে পৃথিবীর বাইরে আরেকটি পৃথিবী আছে যেটার নাম হলোয়ার্থ।
কোম্পানির মালিক ডক্টর নেথান কে বলে যে হলোআর্থ এ যাওয়ার জন্য আমরা একটি সোর্স খুঁজে পেয়েছি। কিন্তু ঠিক কোথায় সেটা জানি না। আমরা যেমন সূর্য থেকে শক্তি পাই ঠিক তেমনি মাটির নিচের পৃথিবী বা হলোআর্থ এ দানবেরা এক অন্য রকমের উৎস থেকে শক্তি পায়।
আর এখন যদি মানুষ এই শক্তির সোর্স খুঁজে পায় তাহলে গডজিলার মত মনস্টারের মোকাবিলা করতে পারবে।
ডক্টর নেথান ঐ কোম্পানির মালিক কে বলে যে আমরা কিভাবে হলোআর্থ এ যাবো। কয়ক বছর আগে আমার ভাই ঐ হলোআর্থ এ যাওয়ার চেষ্টা করে যেতে পারেনি আমার ভাই মারা গেছে।
হলোআর্থ এ কোন গ্রাভিটি নেই। তখন কোম্পানির মালিক বলে যে আপনার এসব নিয়ে চিন্তা করতে হবে না।
কারন হলোআর্থ এ যাওয়ার জন্য আমরা হাওয়ায় ভেসে বেড়ানোর মত একটা এন্টি রোবোটিক যান বানিয়েছি। যেটা দিয়ে খুব সহজেই হলোআর্থ এ যাওয়া যাবে। আর আমরা ঐ হলোআর্থ এর সামনে কং কে নিয়ে যেতে পারবো তার বাসায়।
ডক্টর নেথান তখন কং এর দেখাশুনা করা একজন মহিলা ডক্টরের সাথে দেখা করে। তাকে বোঝাতে থাকে যে কং কে কং এর বাসায় ফিরিয়ে দেওয়া প্রয়োজন। এখানে কং কে বেশিদিন রাখলে গডজিলা জানতে পারলে দুজনের লড়াই শুরু হয়ে যাবে। এজন্য কং হলোআর্থ এ নিরাপদ থাকবে।
এরপরে ঐ মহিলা ডক্টর পুরো সেনাবাহিনী কং এর সাথে নিয়ে হলোআর্থ এর দিকে যেতে থাকে। কং কে সবাই চেইন দিয়ে বেঁধে নিয়ে যাচ্ছিলো। ঐ ছোট মেয়ে টা কং এর সাথে ইশারায় কথা বলে। ছোট মেয়েটা মহিলা ডক্টর কে বলে যে কং এর এভাবে কোথাও যেতে ভালো লাগছে না।
মহিলা ডক্টর তখন কং কে অন্য রাস্তা দিয়ে নিয়ে যেতে চায়। যাতে কং বুঝতে না পারে। গডজিলা আর কং এর পুরোনো শত্রুতা রয়েছে। যেকারনে কং আর গডজিলার দেখা হয়ে গেলে অনেক সমস্যা হবে। কেননা গডজিলা আর কং দুজনেই নিজেদের কে দানবদের রাজা The King Of Monster ভাবে।
আবার ম্যাডিসন কে দেখা যায়। সে তার এক বন্ধু কে নিয়ে ঐ হ্যাকারের সাথে দেখা করতে যায়। ঐ হ্যাকার ম্যাডিসন কে বলে যে এই কোম্পানি অনেক বড় একটা কিছু বানাচ্ছে। যেটা বানিয়ে হংকং এ পাঠিয়ে দিতে চাচ্ছে। কিন্তু গডজিলা কেন এই কোম্পানির উপর হামলা করলো এটা এখনো বুঝতে পারছি না।
এরপরে আমরা দেখতে পাই, কং কে নিয়ে যাওয়ার পথে সব জায়গায় এর্লাম বাজছে। কং এর বন্ধু ছোট্ট মেয়েটা এসে ফিমেল ডক্টর কে বলে যে এখানে গডজিলা আসতেছে। ডক্টর নেথান মেয়ে ডক্টর কে বলে যে আমরা কং এর বাধন খুলে দিলে কং গডজিলার বিরুদ্ধে আমাদের রক্ষা করবে।
এরপরে, গডজিলা এসেই প্রথম একটা জাহাজ ধংস করে দেয়। আর কং ও বুঝে যায় যে গডজিলা আসতেছে আর কং জোরে জোরে চিৎকার করতে থাকে। আসলে গডজিলার হাত শিকল দিয়ে বাধা ছিলো।
এদিকে পুরো সেনাবাহিনী গডজিলার দিকে রকেট ছুড়ে মারতে থাকে। গডজিলা একের পর এক বোমারু বিমান ধংস করে ফেলে। শেষে গডজিলা কং এর জাহাজ পানিতে ওল্টিয়ে ফলে। এরপরে কং এর বাঁধন খুলে দিলে কং আবার জাহাজ সোজা করে।
এদিকে গডজিলা ছোট মেয়েটার জাহাজের দিকে যেতে থাকলে কং এক লাফ দিয়ে আরেক জাহাজে যায়। একসময় কং আর গডজিলা একটি জাহাজে দাড়িয়ে মারামারি করে। কং গডজিলাকে একটা ঘুসি দিলে গডজিলা পানিতে পরে যায়। এক ঘুসি খেয়ে গডজিলা খুব রেগে তার নিউক্লিয়ার পাওয়ার কং এর দিকে মারতে গেলে কং এটা দেখে পানিতে ঝাপ দেয়।
এদিকে অন্য জাহাজ থেকে সবাই দেখতে পায় যে গডজিলার ক্ষমতা কত। এরপরে কং আর গডজিলার পানির নিচে মারামারি চলে থাকে। এদিকে গডজিলা পানিতে শ্বাস নিতে পারলেও কং পানির নিচে শ্বাস নিতে পারছিলো না। যেকারণে কং গডজিলার হাতে খুব মার খেতে থাকে। গডজিলা কং কে মেরে ফেলতে একেবারে পানির নিচে নিয়ে যেতে থাকে।
মহিলা ডাক্রার কং কে বাঁচানোর জন্য সেনাবাহিনীরা পানির ভিতরে বোম ব্লাস্ট করতে থাকে। এরপরে কং পানির উপরে ওঠে আসে। তারপরে ডক্টর নেথান বলে সব কিছু বন্ধ করে দেয়। সব জাহাজের ইঞ্জিন থেকে শুরু করে সব কিছু।
যাকে কং আর গডজিলা বুঝতে পারে আমরা সবাই মরে গেছি। আমরা আর যুদ্ধ করছি না। এরপরে গডজিলা কং কে অনেক রাগান্বিত দেখে সেখান থেকে অন্য জায়গায় চলে যায়। এদিকে মহিলা ডক্টর টা ডক্টর নেথান কে বলে যদি আমরা সামনে এগোই তাহলে গডজিলা আবার আক্রমণ করবে। তাহলে কং কে কিভাবে নিয়ে যাওয়া যায়?
ডক্টর নেথান তখন কং কে হেলিকপ্টার দিয়ে উড়িয়ে নিয়ে যেতে চায়। এরপরে দেখা যায়, ঐ হ্যাকার আর ম্যাডিসন খুজতে থাকে এই কোম্পানি কি এমন জিনিস বানিয়েছে যে কারনে গডজিলা এত রাগ করছে। তারা কোম্পানির এক স্থানে প্রানীর ডিম খুঁজে পায়। তারা ডিম দেখার সময় হটাৎ দরজা লক হয়ে যায়।
আসলে ডিম টা একটা সুপার রোবোটিক বিমানে ছিলো। যে বিমানটি তাদের সবাই কে উড়িয়ে হংকং এ নিয়ে যায়। তারা বিমানে বসে দেখতে পায় কং কে ঘুম পাড়ানো অবস্থায় হলোআর্থ এর কাছে নিয়ে যাওয়া হয়।
এরপরে মহিলা ডক্টর কং এর বন্ধু বোবা ও বয়রা মেয়েটাকে দিয়ে বলে যে কং হলোআর্থ এ তোমার মত আরো প্রাণী আছে। সেখানে তুমি নিরাপদ ঐটাই তোমার আসল বাসা। একথা শুনে কং হলোআর্থ এ যাওয়ার জন্য রাজি হয়ে যায়। কং দৌরে ও লাফিয়ে হলোআর্থ এর দিয়ে যেতে থাকে। কং এর পিছনে পিছনে এন্টি প্লেন যেতে থাকে।
হলোআর্থ এ যেকোনো যান নিয়ে গেলে মারা যেত সবাই কিন্তু এন্টি গ্রাভিটি প্লেন নিয়ে যাওয়ায় সবাই নিরাপদে হলোআর্থ এ প্রবেশ করে। সেখানে নানা ধরনের দানব প্রানি দেখা যায়। হটাৎ একটি উরন্ত দানব ডক্টরদের একটি এন্টি গ্রাভিটি প্লেন এ অ্যাটাক করে। হটাৎ একটি দানব প্রাণী বোবা মেয়েটার এন্টি গ্রাভিটি প্লেন এ অ্যাটাক করতে যায়। কিন্তু কং এসে ঐ দানব প্রানী টাকে মেরে মেয়েটাকে বাঁচায়।
এরপরে কং আবার হলোআর্থের ভিতের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে এগিয়ে যেতে থাকে। কং এর পিছনে পিছনে ডক্টর রা ও অন্যান্য এন্টি গ্রাভিটি প্লেন গুলো যেতে থাকে। হলোআর্থ এ গ্রাভিটি না থাকায় সেখানে পাথরগুলো ভেসে থাকতে দেখা যায়। এরপর দৃশ্য দেখা যায় হ্যাকার ও মেডিসন অন্য একটি এন্টি গ্রাভিটি প্লেন এ করে হংকং পৌঁছে যায়।
সেখানে তারা ঐ কোম্পানির গোপন বিষয় জেনে যায়। ওই কোম্পানি আসল গডজিলা কে মারার জন্য একটি রোবটিক্স গডজিলা বানিয়েছে। যেটার নাম দিয়েছে "মেগা গডজিলা"। এই কারণেই আসল গডজিলা এত ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। এই মেগা গডজিলা কে কন্ট্রোল করে কোম্পানির মালিক।
সে মেগা গডজিলার পাওয়ার টেস্ট করলে আরো পাওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। সে কারনে কোম্পানির মালিক হলোআর্থ কে ডক্টর নেথান কে পাঠায় যাতে করে মেগা গডজিলার ফুল এনার্জি পাওয়া যায়। কোম্পানির মালিক মেঘা গড জেলার টেস্ট করার সময় আসল গডজিলা টের পেয়ে যায়। আসল গডজিলা হংক এর দিকে তেড়ে যেতে থাকে।
এদিকে কং হললোআর্থের ভিতর দিয়ে এগিয়ে যেতে থাকে। কং একটি পাহাড়ের দিকে যায় যেখানে নিউক্লিয়ার এনার্জি উৎস রয়েছে৷ কং পাহাড়ে গিয়ে সেখানের একটি দরজা খুলে ভিতরে ঢুকে। ভিতরে ঢুকে গডজিলা একটা কুড়াল খুঁজে পায়।
আর পৃথিবীতে গডজিলা হংকং এ মেগা গডজিলার দিকে এগিয়ে যায়। মানুষ জন যে যেদিকে পারে পালিয়ে যেতে থাকে। হলোআর্থে কং তার কুড়াল হাতে নিলে সেখানের সব এনার্জি শক্তি আরো বাড়তে থাকে।
পৃথিবীতে গডজিলা বুঝতে পারে যে হলোআর্থে কেউ এনার্জি পাওয়ার কালেক্ট করছে। এটা বুঝে গডজিলা তার মুখ দিয়ে নিউক্লিয়ার পাওয়ার পৃথিবীর মাটির নিচে কং এর দিকে এট্যাক করে।
এদিকে হলোআর্থে ডক্টরেরা কোম্পানীর জন্য এক টুকরো এনার্জি পাওয়ারের স্যাম্পল নিয়ে কোম্পানির মালিকের কাছে পাঠিয়ে দেয়।
পৃথিবীতে কোম্পানির মালিক মেগা গডজিলা কে এক্টিভেট করে দেয়।
হলোআর্থে কং এর কুড়ালে শক্তি আপলোড হলে কং গডজিলাকে মারতে পৃথিবীতে চলে আসতে থাকে। কেননা গডজিলা তার নিউক্লিয়ার পাওয়ার দিয়ে কং কে যুদ্ধের আহবান জানায়৷
কং তার নিউক্লিয়ার পাওয়ার ফুল কুড়াল নিয়ে হংকং চলে আসে। এসেই কং গডজিলা কে কুড়াল দিয়ে এট্যাক করলে একটি বিল্ডিংয়ে কং এর কুড়াল ফেঁসে যায়। আর এই সুযোগে গডজিলা কং কে মেরে নিচে ফেলে দেয়।
কং আর গডজিলার মধ্যে মারামারি চলতে থাকে। গডজিলা তার মুখ দিয়ে নিউক্লিয়ার পাওয়ার কংয়ের দিকে মারলে কং বারে বারে তা ঠেকিয়ে দেয়। এক সময় কং তার কুড়াল নিয়ে গডজিলার মুখের পাওয়ার থেকে রক্ষা করে। এরপরে গডজিলা কং কে পানিতে ফেলে দেয়। এক সময় গডজিলা কং এর উপরে পা দেয়। কিন্তু কেউ কাউকে মারে না। গডজিলা কং কে রেখে চলে যায়।
ঐ দিকে কোম্পানির মালিক হলোআর্থ থেকে আনা নিউক্লিয়ার পাওয়ার স্যাম্পল দিয়ে মেগা গডজিলা কে এক্টিভেট করে দেয়। কিন্তু একটা সমস্যা হয়ে যায়, আগে মেগা গডজিলা কে কোম্পানির মালিক পরিচালনা করলেও এবার মেগা গডজিলা একা একাই নিজের মত চলতে থাকে।
মেগা গডজিলা প্রথমে কোম্পানির মালিক কে মেরে ফেলার পরে কোম্পানি বাকি সবাইকে মেরে "মেগা গডজিলা" হংকংয়ে চলে আসে।
গডজিলা এক সময়ে মেগা গডজিলা কে দেখতে পেয়ে যুদ্ধ করার জন্য এগিয়ে আসে। এরপর গডজিলা আর মেগা গডজিলার ভিতরে চরম যুদ্ধ শুরু হয়। মেগা গডজিলার পাওয়ার অনেক ছিলো। সে গডজিলাকে মের একেবারে নাস্তানাবুদ করে ফেলে।
এদিকে ম্যাডিসন আর হ্যাকার মেগা গডজিলার পাওয়ার অফ করার চেষ্টা করে কিন্তু ব্যর্থ হয়।
ঐ দিকে কং গডজিলার আঘাতে মরে মরে যায় অবস্থা। এক সময় ডক্টর নেথান কং কে ইলেকট্রিক শকড দিয়ে জাগিয়ে তুলতে চায়। এরপরে এন্টি গ্রাভিটি প্লেন দিয়ে কং কে শকড দিলে কং জেগে ওঠে। এরপরে কং এর বন্ধু ছোট মেয়েটা ইশারায় কং কে বলে যে গডজিলা আমাদের শত্রু না তাকে রক্ষা ও সাহায্য করো।
কং গডজিলা কে বাঁচাতে চলে যায়। তখন মেগা গডজিলার পাওয়ার দিয়ে গডজিলা কে মেরে ফেলবে তখনই কং গিয়ে মেগা গডজিলার হাত থেকে গডজিলা কে বাঁচায়। গডজিলা বুঝতে পারে যে কং তার শত্রু না। আসল শত্রু হলো মেগা গডজিলা। এরপরে কং আর মেগা গডজিলার মারামারি চলতে থাকে। কং তার কুড়াল দিয়ে মেগা গডজিলা কে মারতে যায় কিন্তু কুড়ালে শক্তি চার্জ করা ছিলো না।
ঐ দিকে ম্যাডিসন আর হ্যাকার মেগা গডজিলার প্রোগ্রাম নষ্ট করতে পারে না। একসময় হ্যাকার মেগা গডজিলার প্রোগ্রামে মদ ঢেলে দেয়। এক একে করে অল্প সময়ের জন্য মেগা গট জেলার পাওয়ার অফ হয়ে যায় ঠিক তখনই গডজিলা কংয়ের কুড়ালে পাওয়ার চার্জ করে দেয়। কং এর কুড়ালে চার্জ হলে কং কুড়াল দিয়ে মেগা গডজিলা কে করে মেরে ফেলে।
মেগা গডজিলা কে টুকরো টুকরো করে আলাদা করে মেরে ফেলার পরে সব কিছু স্বাভাবিক হয়ে যায়। এরপরে গডজিলা আবার পানির নিচে চলে যায়। আর কং হলোআর্থ এ ফিরে যায়।
এভাবেই শেষ হয়ে যায় ২০২১ সালে মুক্তি পাওয়া পোষ্ট এপোক্যালিপ্টো লাইভ একশন এডভেঞ্চার মুভি " গডজিলা ভার্সেস কং"।
0 মন্তব্যসমূহ