Ticker

6/recent/ticker-posts

সারভাইভাল ফ্যামিলি - Survival Family Movies Explain In Bangla

survivals family 2017, survival family movies download,  survivals family movies subtitle, bangla movie subtitle, bangla subtitle,


হ্যালো বন্ধুরা। 

কেমন আছেন সবাই! 

আশা করি সবাই ভালো আছেন! 

আজকে আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করবো এমন একটি মুভি নিয়ে যে মুভিটি সম্পর্কে জানলে আপনার মাথা ঘুরে যাবে। একবার ভেবে দেখুন তো! কি হবে আপনি প্রতিদিন যে ভাত খান সেই চালের সরবরাহ যদি একেবারে বন্ধ হয়ে যায়! কি হতে পারে যদি সারা বিশ্ব থেকে কারেন্টের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। 

তো আজকে আমরা এমন একটি মুভি নিয়ে আলোচনা করব যে মুভি কাহিনী আবর্তিত হয়েছে একটা শহর থেকে হটাৎ বিদ্যুৎ চলে যায়। 

এতে করে বিদ্যুৎ দিয়ে যেসব কাজ চলে, সেসব কাজ বন্ধ হয়ে যায়। ঐ শহরের সবাই খুব বিপদে পড়ে। তাদের পড়ালেখা, খাবার-দাবার, কাজ-কর্ম, চলাচল ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যায়।

সারভাইভাল ফ্যামিলি মুভিটি এই পযন্ত গুগল রেটিং এ ৯৫% একই সাাথে আইএমডিবি এ ১০ এর মধ্যে ৭.৩ পয়েন্ট স্কোর পেয়েছে। 

সিনোপসিসঃ টোকিওতে সৌর জগতের প্রচন্ড তাপের কারণে বিদ্যুৎ চলাচ বন্ধ হয়ে যায়। এ কারনে সারা শহরে আতঙ্কের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায়। ইয়োশিউকি ও তার পরিবার আধুনিক শহুর ছেড়ে বেঁচে থাকার লড়াই করতে করতে গ্রামে যাবে। হয়ত সেখানে সব কিছু স্বাভাবিক এই ভেবে।

প্রকাশের তারিখ ফেব্রুয়ারি ১১ তারিখে ২০১৭ সালে জাপানিজ মুভি দি সারভাইভাল ফ্যামিলি মুভিটি মুক্তি পায়। মুক্তির পর পরই সারা বিশ্বে আলোড়ন তুলে জাপানিজ সারভাইভাল মুভি সারভাইভাল ফ্যামেলি। 

জাপানিজ পরিচালক শিনোবু ইয়াগুচি সারভাইভাল ফ্যামেলি মুভিটি পরিচালনা করেন। এছাড়া সারভাইভাল ফ্যামেলি মুভিটির চিত্রনাট্য লিখেন শিনোবু ইয়াগুচি, ইউজি ওগাতা, হিরোৎসুগু উসুই, তাইচি উয়েদা, নোবুও কোজিমাসহ আরো কয়েকজন লেখক ও চিত্রনাট্যকর।


মুভির প্রথম দৃশ্য দেখা যায় যে অফিসের সবাই কাজে প্রচুর ব্যস্ত আছে। এর পরের দৃশ্যে দেখা যায় একটা পরিবার রাতে তাদের প্রতিদিনের কাজকর্ম করছে। 

পরিবারের সদস্য চারজন।

বাবা, মা, মেয়ে,ছেলে।

খাবার খাওয়া চিভি দেখা, ফোনে কথা বলা, ফ্রীজে খাবার রাখা, রান্না করা, ইন্টারনেট ব্যবহার, পানির সরবরাহ সহ সব কিছু প্রতিদিনের মত ব্যবহার করে।

সাধারণ দিনের মতো একটা পরিবার রাতে সব কাজ খাওয়াদাওয়া করে ঘুমিয়ে পড়ে। একদিন সকালে উঠে ঐ পরিবারের বাবা দেখতে পায় যে আজকে তার অফিসে যাওয়ার ঘড়িটি বেজে ওঠে নি।

সে ভয় পেয়ে যায় আমার অফিসের সময় হয়ে গেছে কিন্তু আমি এখনো উঠিনি আজকে হয়ত অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। এই বলে সে বিছানা থেকে ওঠে। এরপরে সে দেখতে পায় ঘরে কোনভাবেই কোন লাইট অন হচ্ছে না।

এর পরের দৃশ্যে দেখা যায়, ঐ পরিবারের টিভি অন হচ্ছে না, মোবাইল বন্ধ হয়ে গেছে, ফ্রিজে কারেন্ট নেই, পানির সরবরাহ নেই, এমনকি কল টা পর্যন্ত করা যাচ্ছে না।

পরিবারের সবাই ভাবে হয়ত লোডশেডিং হয়েছে। কিন্তু তারা নিচে গিয়ে জানতে পারে সারা শহরের কোথাও বিদ্যুৎ সরবরাহ নেই।

পরিবারের বাবা না খেয়ে অফিসে যাওয়ার সময় দেখে ট্রেন বন্ধ হয়ে গেছে। অফিসে গিয়ে দেখে ইন্টারনেট আর কারেন্ট না থাকায় অফিস বন্ধ হয়ে আছে।

এর পরের দৃশ্যে দেখা যায় পুরো ফ্যামিলি সবাই যে যে যার যার কাজে চলে যায়। নিচে এসে পুরো জানতে পারে যে কারো বাসার কোথাও বিদ্যুতের ছিটেফোঁটাও নেই।

ওই ফ্যামিলির বাবা যখন ট্রেনে করে তার অফিসে যেতে চায় তখন গিয়ে দেখে সেইখানে ট্রেন বর্তমানে বন্ধ আছে তাই সে হেঁটে অফিসে চলে যায়।

এদিকে পরিবারের ছেলেটি দেখে এখনো তার ফোনে কোন ইন্টারনেট কানেকশন। সে দেখতে পায় শহরের প্রতিটা গাড়ি থেকে শুরু করে কোন কিছুই চলছে না। কেন না গাড়ি ব্যাটারিতে চলে কারেন্ট না থাকা কিছুই চলছে না।

পরিবারে মা নিচে যায় প্রতিদিনের ময়লা-আবর্জনা নিচে ফেলতে গিয়ে সে জানতে পারে যে শুধু তাদের বিল্ডিংই নয় পুরো এলাকার কোথাও কারেন্টের ছিটেফোঁটাও নেই। সবাই মম কিনতে যাচ্ছে সুপারসপে সেও যায় সুপার সপে।

এদিকে পরিবারের বাবা যখন অফিসে যায় গিয়ে দেখে অফিসে কারেন্ট না থাকার কারণে বিল্ডিং এর লিফট বন্ধ রয়েছে। তাই তাদের অফিসে যেতে হলে দরজা ভেঙে হেঁটে যেতে হবে।

এদিকে পরিবারের মেয়েটা স্কুলে গিয়ে তার বান্ধবীদের বলে যে আমার ফোনে চার্জ ছিল না তাই তোদের ফোন দেই নি। তারা বলে শুধু তোমার ফোনে না আমাদের কারো ফোনে চার্জ ছিল না।

এদিকে ছেলে তার কলেজে গিয়ে মোবাইলের নেট কানেকশন খুঁজলেও সে পায় না। পরবর্তীতে সে তার গার্লফ্রেন্ড আসছে কিনা সেটা তার বন্ধুদের বলে তারা বলে সেজুকা এখনো কলেজে আসেনি। এদিকে পরিবারের মা সুপার শপ থেকে কিছু খাবার আর মম কিনে নেয়।

এরপরে দৃশ্যে দেখা যায়,

অফিসের বস সব কর্মকর্তাকে বলছে যে আজকের মত অফিস বন্ধ রয়েছে সবাই সবার বাসায় চলে যায়। এরপরে দেশে দেখা যায়, পরিবারটির বাবা একটি সাইকেল কিনে সেটা চালিয়ে বাসায়। কেননা সব ধরনের গাড়ি ও ট্রেন বন্ধ আছে।

এরপরের দৃশ্যে দেখা যায়, পুরো ফ্যামিলি তারা রাতে মোমবাতি জ্বালিয়ে রাতের খাবার একসাথে সবাই বসে খায়। সবাই খাওয়া দাওয়া করে ঘুমি পড়ে। এর পরের দিন, পরিবারটির বাবা যথা সময় অফিসে যায়। অফিসে গিয়ে জানতে পারে অনির্দিষ্টকালের জন্য অফিস করে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে পরিবারটির মেয়ে স্কুলে গিয়ে জানতে পারে যে স্কুল অনিদৃষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ঐ দিকে ছেলে যায় তার জিএফ এর বাসা। সেখানে গিয়ে দেখে তার জিএফ তার পুরো পরিবার নিয়ে চলে যাচ্ছে। 

এদিকে মা প্রতিদিনের মতো পানি সংরক্ষণ করার জন্য গেলে তা সে জানতে পারে যে কারেন্ট না থাকায় পানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। সাতদিন পরে বিল্ডিংয়ের সবাই মিলে মিটিংয়ে বসে যে তারা কিভাবে কে বাঁচবে।

এরপরে পুরো ফ্যামিলি সিদ্ধান্ত নেয় যে তারা এখান থেকে তাদের নানাদের বাসায় চলে যাবে। মেয়েটা যেতে রাজি হয় না যদিও শেষ পর্যন্ত বাবার কথায় তারা প্রথমে সাইকেলে করে বিমানবন্দরে যেতে চায়।

সেখানে থেকে টিকিট কেটে প্লেনে করে তাদের নানা বাসা যাবে যেখানে হয়তো কারেন্ট থাকতে পারে এ আশায় তারা সেখানে যাচ্ছে। 

তো পুরো ফ্যামিলির তিন জনে তিনটি সাইকেল নিয়ে রওনা দেয়। পুরো পরিবার সারভাইভ করতে করতে সাইকেলে করে যাচ্ছে।

পথে তারা দেখতে পায় এক বোতল পানির দাম ৫০০ জাপানি মুদ্রার এর পরে কতক্ষন যাওয়ার পর তারা যাতে পায় যে ওই পানির বোতলের দাম বেড়ে ১,০০০ ইয়েন হয়ে গেছে।

এর কিছুক্ষণ যাওয়ার পরে তারা জানতে পারে যে একটি পানির বোতলের দাম বেড়ে ২,০০০ জাপানি মুদ্রা। এরপর তারা সেখান থেকে পানি কিনে যদি পরবর্তীতে দাম যদি বেড়ে যায় এই আশায়।

এরপর পুরো পরিবার বিমানের টিকেটের আশায় বিমানবন্দরে গেলে জানতে পারে যে, সব বিমানবন্দর অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রয়েছে এবং সেখানে হাজার হাজার মানুষ বিমানে যাওয়ার জন্য যুদ্ধ শুরু করে দিছে।

এরপর পুরো পরিবার একটি রুম ভাড়া নেয় তারা রুমে আজকে রাত কেটে কালকে সকালে তাদের নানা বাসায় সাইকেল চালিয়ে যাওায়র উদ্দেশ্য বের হবে। এজন্য ছেলেটি একটি ছোট বাচ্চাদের জাপানের মানচিত্র কিনে নেয়।

সারভাইভাল পরিবারটির বাবা তখন বুঝতে যে তাদের একটি সাইকেলের প্রয়োজন রয়েছে। সেজন্য একটি দোকান থেকে পানি ও দুই বোতল মদের বিনিময়ে একটা সাইকেল কিনে নেয় সাথে এক বস্তা চালও তারা কিনে নেয়।

এরপর তারা সাইকেল চালিয়ে যেতে যেতে দেখতে পায় রাস্তা দিয়ে হাজার হাজার মানুষ তাদের মত শহর ছেড়ে গ্রামে দিকে যাচ্ছে। যেখানে হয়তো পানি অথবা বিদ্যুৎ সরবরাহ পারে বলে এই আশায়।

এর পরে সারভাইভাল পরিবারটি একটি টানেল পার হওয়ার চেষ্টা করে সাইকেল নিয়ে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত টানেলে অন্ধকার থাকায় তারা সাইকেল নিয়ে পার হতে পারে না। কিন্তু সেখানে তারা কয়েকজন অন্ধ দেখতে পায় যারা খাবারের বিনিময়ে টানেল পার করে দেয়।

এর পরে সারভাইভাল পরিবারটি খাবারের বিনিময়ে তাদের ওই টানেলটি পার করে দেয়। তারপর তার টানেলটি পার হয়ে যেতে থাকে। যেতে যেতে সারভাইভাল পরিবারটির খাবার ও পানি ফুরিয়ে যায়।

পানি ও খাবার ফুরিয়ে গেলে তারা বুঝতে পারে না তারা কি করবে। সেখানে সারভাইভাল পরিবারের বাবা ঝর্ণার পানি দেখে খায়। আবার তারা গ্রামে নানা বাড়ির উদ্দেশ্য রওনা দেয় এবং চলতে চলতে পথে প্রচন্ড ঝড় হয়।

ঝড় দেখে তারা সাইকেল রেখে ব্রিজের নিচে গেলে পরিবারের বাবার ডায়রিয়া হয় ঝর্ণার পানি খাওয়ার ফলে। এরপর পুরো সারভাইভাল পরিবার আস্তে আস্তে চলতে চলতে তাদের খাবার ও পানি ফুরিয়ে আসে। 

তাদের সবার শরীরে শক্তি কমে আসে। হঠাৎ তারা দেখতে পায় একটি পরিবার রাস্তায় দাঁড়িয়ে খাবার খাচ্ছে এবং তাদের শরীরে অনেক শক্তি।

তখন তারা জানতে পারে ঐ পরিবারটি সকালে ভোরের শিশির থেকে পানি সংগ্রহ করে এবং বিভিন্ন ঘাস দিয়ে স্যুপ বানিয়ে খেয়ে তারা বেঁচে আছে।

দুই ফ্যামিলি মিলে আবার একসাথে চলতে থাকে ওসাকার উদ্দেশ্যে। চলতে চলতে হঠাৎ তারা পথে একদল সেনাবাহিনী দেখতে পায় যারা নিউক্লিয়ার প্লান্ট থেকে এসেছে।

তারা বলে যে তারা যেখানে যাচ্ছে ওসাকায় সেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহ আছে নাকি নেই তারা জানে না। এরপরে সারভাইভাল পরিবারটির বাবা তার পুরো পরিবার নিয়ে ওসাকায় যায়।

ওখানে গিয়ে পরিবারটি দেখে সেখানে কোন বিদ্যুৎ, পানি সেখানে কোনো মানুষ ও নেই। সারভাইভাল পরিবারটির বাবার কথা ছেলে মেয়ে মা এতদূর পযন্ত এসেছে। এজন্য ছেলে আর মেয়ে বাবা কে দোষারোপ করতে থাকে।

এর পরে তারা চলতে চলতে হঠাৎ দেখতে পায় যে অনেক মানুষ এক জায়গায় মাছ গ্রিল মাছ সুপ করে খাচ্ছে। সেটা ছিলো একটা একুরিয়াম। সেখান থেকে মাছ ধরে কাঁকড়া ধরে তারা সবাই মিলে সেগুলো খাচ্ছে।

কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় সারভাইভাল পরিবারটির কেউই মাছ পছন্দ করে না। কিন্তু তাদের অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে তারা এখন মাছ ও খেতে চাইছে। দুর্ভাগ্যবশত তারা লাইনে ধরেও কোন মাছের খাবার পায় না।

কেননা তাদের সব খাবার শেষ হয়ে যায়। সারভাইভাল পরিবারের বাবা খুবই কাকুতি-মিনতি করে যে অন্তত্য আমাদের বাচ্চাদর কে কিছু খাবার দেন। 

কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সে জানায় তাদের খাবারেই শেষ। এরপর পুরো পরিবার কোনরকমে শক্তি না পেয়ে খাবার না পেয়ে আস্তে আস্তে চলতে থাকে। চলতে চলতে হঠাৎ তারা এক গ্রামে গিয়ে পৌঁছায়। যে গ্রামে গিয়ে পরিবারের বাবা সে দেখতে পায় একটি শুকুর ক্ষেতের ভিতর।

বাবা গিয়ে কোনরকমে সে শুকর টাকে ধরে ধরে। সে শূকরের মাংস কাটতে পারে না। শুকর এর প্রকৃত মালিক তাদেরকে হেল্প করে এবং তাদেরকে তার বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে গিয়ে তারা পানি পান করে এবং বুড়ো তাদের পুরো পরিবার কে খাবার খেতে দেয়।

এই আশায় যে তাদের কে বুড়োর ছুটে যাওয়া বাকি সব শুয়োরগুলো কে ধরে দিতে হবে। পুরো পরিবারের সবাই খাবার পেয়ে পানি খেয়ে শরীরে শক্তি ও পুষ্টি পায় এবং তারা বুড়োর সবগুলো কাজ এক এক করে করে দেয়।

এরপরে দৃশ্যে দেখা যায়। বুড়ো তাদেরকে বলছে যে তোমরা চাইলে এখান থেকে যেতে পারো। কিন্তু সারভাইভাল পরিবারটির বাবা বলেন আমরা এখানে থাকবো না আমরা যাচ্ছি বাচ্চাদের নানা বাড়ি।

বুড়ো তাদের কিছু শুকনো শুকরের মাংস সংরক্ষণ করা খাবার দিয়ে দেয় যাতে তারা পথে খেতে পারে এবং কিছু পানি দিয়ে দেয়। এরপরে পুরো পরিবার সাইকেল মেরামত করে তাদের নানা বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। 

পথে যেতে যেতে তাদের সামনে একটি নদী পরে। সবাই আশা হারিয়ে ফেলেছে কিভাবে তারা নদী পার হবে।হঠাৎ পরিবারের বাবা দেখতে পায় সেখানে কিছু কাঠ-খড় পড়ে রয়েছে। 

সারভাইভাল পরিবারটির বাবা সেগুলো জুড়িয়ে একটি ভেড়ার মত বানায়। এরপরে বাবা বলে প্রথমে আমরা তোমার মা এখন তোমার বোনকে ওখানে রেখে পরে তুমি আর আমি এসে সাইকেল গুলো নিয়ে যাব। 

যেই ভাবা সেই কাজ। প্রথমে পুরো পরিবারের মেয়ে ও মাকে পার করে ওপারে রেখে বাবা এবং ছেলে মিলে তাদের সাইকেলগুলো আনার জন্য যায়।

সাইকেল আনার সময় ছেলে এপারে চলে আসলেও পরিবারটি বাবার উপর সাইকেল গুলো পড়লে সাইকেলের সাথে সে ভেসে যায়। ছেলেটি তার বাবাকে খুঁজতে গিয়ে তার মাথার চুল ছাড়া আর কিছুই পায় না।

এর পরের দৃশ্যে দেখা যায়, ছেলে তার মাকে খাবার যাচ্ছে কিন্তু মা খায় না। ছেলে এবং মেয়ে তারা দুজন খাবার খাচ্ছে। কিন্তু হঠাৎ মেয়ে পিছনে ফিরলে দেখে একটি কুকুর তার পিছু পিছু আসছে। সে খাবার দেওয়ার জন্য ডাক দিলে কুকুরটা তার মাংস নিয়ে পালিয়ে যায়।

কিছুক্ষণ পর আরো কয়েকটা হিংস্র কুকুর এসে তাদের মায়ের কাছ থেকে সমস্ত খাবার ছিনিয়ে নেয়। আর মা রাস্তার ধারে পড়ে গিয়ে পায়ে প্রচণ্ড আঘাত পায়। মা ছেলে এবং মেয়ে তারা কি করবে এখন বুঝতে না পারে তারা রেল লাইনের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। 

আর হঠাৎ তখন একটি ট্রেন আসে। রেললাইনের ডাক্তাররা সারভাইভাল পরিবারটির মাকে সাধারণ চিকিৎসা করায়।

ওদিকের দৃশ্য দেখা যায়, সারভাইভাল পরিবারটির বাবা ভেসে ভেসে নদীর কিনারে গিয়ে উঠে। সে জীবিত ছিল। সে কোনরকমে হেঁটে হেঁটে একটি ট্রাক্টরের সামনে এসে বসে।

তারপর হাতে থাকা একটি লাইফ লাইট জালিয়ে দিয়ে জানিয়ে দেয় যে সে এখনো বেঁচে আছে। এদিকে জানালা দিয়ে মেয়ে দেখতে পায় যে তার বাবার হাতে একটি লাইফ লাইট জ্বলছে। ট্রেন থামিয়ে তার বাবাকে উদ্ধার করে।

এরপর দৃশ্যে দেখা যায়, পুরো পরিবার তার নানা বাড়িতে গিয়েছে। বাচ্ছাদের নানা সেখানে মাছ ধরছে। সেখানেও কোন বিদ্যুতের সরবরাহ বা ছিটেফোঁটাও নেই।

সেখানে গিয়ে ওই সারভাইভাল পরিবারের বাবা এবং ছেলে তার নানার সাথে সমুদ্র থেকে মাছ ধরে ঐখানকার পুরো পরিবারকে খাবার সরবরাহ করছে এবং তাদের বিভিন্ন ভাবে সাহায্য করছে। 

এদিকে মা ও মেয়ে জামা কাপড় সেলাই করছে তাদের নানির সহায়তায়। এরপরে দৃশ্যে দেখা যায়। রাতে সবাই ঘুমিয়ে আছে। হঠাৎ মধ্যরাতে সারভাইভাল পরিবারের বাবার ঘুম ভেঙে যায়।

সে শুনতে পায় যকোন একটা শব্দ টিক টিক করছে। সে আস্তে গিয়ে দেখতে পায় এটা তার ঘড়ির শব্দ। ঘরির অ্যালার্ম বেজে উঠেছে এটা সবাই বাইরে আসে।

বাইরে এসে দেখতে পায় যে, পুরো শহরে আবার বিদ্যুৎ সরবরাহ চলে এসেছে। পুরো পৃথিবী আগের মতো আবার হয়ে গিয়েছে। টিভিতে বিভিন্ন খবরের পত্র পত্রিকায় দেখা যাচ্ছে।

সৌর জগতের সূর্যের কারনে পৃথিবী থেকে বিদ্যুতে সমস্যা হয়েছে। এভাবেই শেষ হয় তার সারভাইভাল ফ্যামিলি মুভির পুরো কাহিনী। এভাবে এগিয়ে যেতে শেষ হয় "সার্ভাইভাল ফ্যামিলি" মুভির কাহিনী। 


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ