Ticker

6/recent/ticker-posts

অচেনা অতিথি যখন খুনি - The Guest (2014) Full Movie Explain in Bangla

The guest, the guest movie explain,


হ্যালো বন্ধুরা! 

কেমন আছেন সবাই?

 আশা করি সবাই ভালো আছেন। 

আজকে আমি আপনাদের সাথে এক্সপ্লেইন করব ২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া মিস্ট্রি থ্রিলার মুভি "দি গেষ্ট ২০১৪ - The Guest 2014" নিয়ে। 

"দ্যা গেস্ট' মুভিটি ২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া আমেরিকান মিস্ট্রি একশন ও থ্রিলার ফিল্ম। অ্যাডাম উইনগার্ড পরিচালিত এবং সাইমন ব্যারেট "দি গেষ্ট" মুভির কাহিনি লিখেছে।

"দি গেষ্ট" মুভির কাহিনি ডেভিড নামে একজন মার্কিন সৈন্যের গল্প, যে কিনা হটাৎ একদিন অপ্রত্যাশিতভাবে পিটারসন পরিবারের সাথে দেখা করে।

আর ডেভিড পিটারসন পরিবারের কাছে নিজেকে আফগান-ইরাক যুদ্ধে মারা যাওয়া তাদের ছেলে ক্যালেব এর বন্ধু হিসাবে পরিচয় দেয়।

imdb রেটিং এ "দি গেষ্ট" মুভিটি প্রায় ১ লক্ষ মানুষের দেওয়া ১০ এর মধ্যে ৬.৭ পয়েন্ট রেটিং পেয়েছে।

অন্যদিকে ৭৯% গুগল ব্যবহারকারীদের কাছে "দি গেষ্ট" মুভিটি ভালো লেগেছে।


"দি গেষ্ট" মুভিটির বাজেট $৫ মিলিয়ন হলেও বক্স অফিস $২.৭ মিলিয়ন কালেকশন করে। তবে এর এন্ডিং আর ডেভিডের চেহারার মুচকি হাসিতে যে কারো মাথা হ্যাং হয়ে যাবে এটা চোখ বুঝে বলা যায়।


নামঃ The Guest (2014) - অতিথি (২০১৪)

প্রাথমিক রিলিজঃ ১৭ জানুয়ারী, ২০১৪

ডিরেক্টরঃ অ্যাডাম উইনগার্ড,

লেখকঃ সাইমন ব্যারেট,

বাজেটঃ  প্রায় ৫$মিলিয়ন,

আয়ঃ প্রায় ৩$-১০$মিলিয়ন (ফ্লপ)


প্লটঃ

মুভির শুরুতে দেখা যায় একজন সোলজার দৌড়াচ্ছে।

যার নাম ডেভিড। তারপরে দেখা যায়, পিটারসন পরিবার কে।

মেয়ে আন্না, ছেলে লুকে, মিস লউরা পিটারসন, মিঃ স্পেন্সার পিটারসন।



প্রতিদিনের মত ঐ দিন ও যে যে যার যার কাছে বেড়িয়ে যায়।

মিস পিটার সন বসে বসে ছেলের শোক পালন করছে।

যেই ছেলে টা মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার সেনাবাহিনীতে থাকা অবস্থায় সেখানে মারা গেছে।

মিস পিটারসন বসে আছে। ঠিক তখনই তাদের দরজায় একজন নক করে।

মিস পিটারসন দরজা খুলে দেখতে পায় একজন সোলজার।

তার নাম ডেভিড। ডেভিড মিস পিটারসন কে তার মৃত ছেলে ক্যালেবের কাছে বন্ধু হিসেবে পরিচয় দেয়।

মিস পিটারসন মৃত ছেলের বন্ধু বলে ডেভিড কে ঘরে আসতে বলে।

মিস পিটারসন ডেভিড কে ঘরে বসিয়ে এক গ্লাস পানি দেয়।

মিস পিটারসন ডেভিড কে বলে তুমি কোথায় থেকে এসেছো।

ডেভিড বলে সে বাসস্ট্যান্ড থেকে দৌড়ে এসেছে।

তাদের সাথে দেখা করতে। তাদের ছেলে ক্যালেব তাকে তার পরিবারের সাথে দেখা করতে বলেছিলো। 

ডেভিড মিস পিটারসন কে বলে ক্যালেব আপনাদের সবাইকে খুব ভালো বাসে।

এটা শুনে মিস পিটারসন অন্য ঘরে গিয়ে কান্না করে।

এরপরে আবার ডেভিডের কাছে আসে।

ডেভিড তখন মিস পিটারসন এর ঘরে থাকা একটি ফটো দেখিয়ে বলে যে আপনার ছেলের সাথে এটা আমি।

মিস পিটারসন ডেভিড কে বিশ্বাস করে বলে যে তুমি আমার মেয়ের কাছে আমার ছেলের কথা বলার জন্য একটু থাকো।

ডেভিড মিস পিটারসনের কথা ঐ বাসায় থেকে যায়। এর পরে মিস পিটারসনের মেয়ে আন্না ডেভিডের সাথে কথা বলে।

আন্না ডেভিড কে বলে কোথায় থাকে বললে ডেভিড জানায় আসার পথে একটা হোটেল দেখে এসেছে ঐটাতে ডেভিড ওঠবে।

তখন মিস পিটারসন বলে যে তাদের বাসায় কয়েকদিন থেকে যেতে। ডেভিড কে মিস পিটারসন তার মৃত ছেলে ক্যালেবের রুম টা দেয়।

সব কিছু স্বাভাবিক ভাবেই এগুচ্ছিলো। কিন্তু ডেভিডের চেহারা টা কেমন যেন লাগছিলো।

মনে হচ্ছিলো যে ডেভিড হয়ত কোন খারাপ কেউ।

এর পরে ডেভিড মিস পিটারসন এর ছেলে ক্যালেবের রুমে থাকতে শুরু করে।

অন্য দিকে, মিস পিটারসনের ছোট ছেলে লুক।

লুক স্কুলে গেলে তার সিনিয়র কয়েকজন ক্লাসমেট লুক কে ধাক্কা মারে।

লুক মার খেয়ে বাসায় আসলে তার মৃত ভাইয়ের সহযোদ্ধা ডেভিড কে দেখতে পায়।

ডেভিড লুক কে বলে যে "তোমার ভাই তোমাকে অনেক ভালোবাসতো"।

এদিকে মিঃ পিটারসন ডেভিড কে আগন্তুক ভাবে। সে কিছুতেই একজন অজানা মানুষ কে তাদের বাসায় জায়গা দিবে না বলে দেয় মিস পিটারসন কে।

কিন্তু মিস পিটারসন মিঃ পিটারসন কে বলে যে এই ছেলেটার ছবি আমাদের ছেলের সাথে আছে।

একথা শুনে মিঃ পিটারসন ডেভিড কে থাকতে দিতে চায়।

এদিকে ডেভিড লুকের চেহারায় মারের চোট দেখে বলে যে তোমাকে কে মেরেছে।

লুক ডেভিড কে বলে সে জিম ক্লাসে ব্যাথা পেয়েছে।

আন্না তার বয়ফ্রেন্ড এর সাথে ডেভিডের কথা শেয়ার করে বাসায় চলে আসে।

মিঃ পিটারসন ডেভিডের সাথে বসে বসে বিয়ার খেতে খেতে বলে যে তার চাকরির পদ টা ডিক্রির কারনে অন্য একজন পেয়ে গেছে।

এরপরে মিঃ পিটারসন ডেভিড কে বলে যে সে কি কাজ করে। 

ডেভিড বলে সে আগে কনস্ট্রাকশন এর কাজ করত।

এখন ফ্লোরিডায় গিয়ে আবার সেই কাজ করবে।

মিঃ পিটারসন এসব শুনে ডেভিড কে আরো কিছুদিন থেকে যেতে বলে।

ডেভিড একটু মানা করলে ও থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

পরেরদিন ডেভিড লুকে কে আনতে তার কলেজে যায়।

ডেভিড লুক কে বলে তাকে কে মেরেছে। লুক ওদের দেখিয়ে দেয়। এরপরে সেখান থেকে লুক কে নিয়ে ডেভিড লুক কে যারা মেরেছিলো ওদের পিছু নিয়ে একটা "বারে"(Bar) যায়।

সেখানে গিয়ে ডেভিড ওই বজ্জাত গুলো কে টাকা দিয়ে বিয়ার কিনে দেয়।

ওরা সেই মদ ডেভিডের মুখে ছুরে মারলে ডেভিড ওদের মারে।

মারামারিতে লুক ও একটু মার খায়।

এরপরে ডেভিড ও লুক বারে টাকা দিয়ে বাসায় চলে আসে।

বাসায় আসলে মিস পিটারসন তার মেয়ে আন্না কে বলে তার সাথে ডেভিড কে পার্টিতে নিয়ে যেতে

আন্না ডেভিড কে বলে ৭ টায় রেডি থাকতে।

৭ টা বাজে আন্না রেডি হওয়ার জন্য বাতরুমে গেলে ডেভিড কে দেখতে পায়। আন্না ডেভিড কে দেখে অবাক হয়ে যায়।

এরপরে ডেভিড কে নিয়ে আন্না পার্টিতে যায়।

পার্রটিতে যাওয়ার সময় আন্না ডেভিড কে বলে এখানে তার বয়ফ্রেন্ড জিক থাকে।

আন্নার মা বাবার কাছে যেন ডেভিড জিকের কথা না বলে।

পার্টিতে গিয়ে ডেভিড এক লোকের সাথে বন্দুক কেনার চুক্তি করে।

ঐ দিকে আন্নার সাথে জিকের সমস্যা হলে ডেভিড কে নি আন্না বাসায় চলে আসে।

আসার সময় আন্না গাড়িতে একটা গান বাজায়। 

যে গানটা আন্না নিজেই মিক্স করেছে।

বাসায় এসে আন্না ডেভিডের জন্য একটা গান মিক্স করে তাকে দিতে যায়।

দিতে গিয়ে আন্না শুনতে পায় ডেভিড এত দিন তাদের বাসায় গা ঢাকা দিয়েছে।

ডেভিড একজন কে দিয়ে তার পরিচয় বদলাতে চায়। যাতে কেউ তার আগের পরিচয় না পায়।

একথা শুনে আন্না ভয় পেয়ে যায়। আন্না তার রুমে গিয়ে সেনাবাহিনীর অফিসে ফোন করে ডেভিড সর্ম্পকে জানতে চায়।

সেনাবাহিনীর অফিস চেক করতে গিয়ে দেখতে পায় ডেভিড সম্পর্কে কোন তথ্য থাকলে KPG Corpration কে জুরুরি জানাতে বলে। 

KPG Corporation হলো সেনাবাহিনীর একটি গোপন মিশন।

এরা "ইগোলিয়াস ডিসোল্যুশন প্রজেক্ট" নিয়ে কাজ করছে।

তারাতাড়ি KGP Corporation জানতে পারে যাকে তারা মৃত ঘোষণা করবে সে এখন ও বেঁচে আছে। আর সেই ডেভিড কলিন্স এখন মৃত সোলজার ক্যালেব পিটারসন এর বাসায়।

একথা শুনে KPG Corporation না বলে এর দায়িত্ব থাকা মিলিটারি অফিসার রিচার্ড তাড়াতাড়ি গোপনে ডেভিড কে মারতে রওনা দেয়।

আর তারা আন্না পিটারসন কে একটা ভুল তথ্য বলা হয় ডেভিডের নামে।

ডেভিড আবার বন্দুক কেনার জন্য সেই লোকের সাথে দেখা করতে যায়।

তারা ডেভিডের টাকা দেখতে চায়। 

ডেভিড তাদের টাকা দেখালে তারা বন্দুক দেখায় ডেভিড কে।

ডেভিড তাদের সব বন্দুক নিতে চায়। তারা তো অবাক। এরপরে ডেভিড ওই লোক দুজন কে মেরে সব বন্ধুক নিয়ে নেয়।

এরপর আর্মি বেস থেকে আন্না কে জানায় যে ডেভিড কিছু দিন আগে এক হাসপাতালে মারা গেছে।

আন্না তার মাকে এই কথা বলতে যাবে।

ঠিক তখন মিঃ পিটারসন বলে যে তার প্রমোশন হয়ে গেছে। তার উপরের জন তার গার্লফ্রেন্ড সহ দুজনে আত্মহত্যা করে মারা গেছে। তাই সে এখন তার স্থানে প্রমোশন পেয়েছে।

তখন আন্নার বয়ফ্রেন্ড জিক আন্না কে ফোন করে জানায় যে ক্রেইগ এর লাস পাওয়া গেছে।

এর পরে জিক কে পুলিশে ধরে নিয়ে যায়। 

তার গাড়িতে ক্রেইগ কে গুলি করা পিস্তল পাওয়া গেছে।

আন্না তার বন্ধুর কাছে ডেভিড মারা গেছে। তার কোন আইডি কার্ড নেই এসব খবর শেয়ার করে।

আন্না বাসায় এসে ডেভিডের ফোন নিয়ে তার কল লিষ্টের ছবি তুলে নেয়।

এরপরে আন্না মিস পিটারসন আর মিঃ পিটারসন কে বলে ডেভিডের খবর জানতে আর্মি বেসে ফোন দিয়েছলাম।

তারা বলেছে যে ডেভিড কয়েকদিন আগে মারা গেছে।

একথা শুনে ডেভিড নিজেকে একজন স্পেশাল ফোর্স পরিচয় দেয়।

আর্মি বেস সাধারন মানুষের সাথে সেনাবাহিনীর কোন সোলজারের তথ্য শেয়ার করে না। 

তখন ডেভিড তার লকেট দেখিয়ে প্রমান করে যে ডেভিড ঠিক আন্না মিথ্যা বলছে।

এদিয়ে মিলিটারি পুলিশ রিচার্ড গোপনে ডেভিড কে মারার জন্য কয়েকজন সেনা নিয়ে মিঃ পিটারসনের বাসায় আসে।

এদিকে লুকে স্কৃুলে গেলে বজ্জাত ছেলেটা লুকে কে উত্যক্ত করলে লুকে তাকে মারে।

কলেজের শিক্ষক লুকে কে স্কুল থেকে বের করে দিতে চাইলে ডেভিডের যুক্তির কারনে বের করে দেয় না।

এর পরে দেখা যায় ডেভিড ও মিস পিটারসন কাপর রোদে দিচ্ছিলো।

তখন ডেভিড আরো কাপর আনতে ঘরে যায়।

এমন সময় মিলিটারি পুলিশ রিচার্ড ও কয়েকজন সেনা পুলিশ নিয়ে মিস পিটারসন কে ডেভিডের ছবি দেখায়।

ছবি দেখালে মিস পিটারসন বলে যে ডেভিড ঘরে আছে।

ডেভিড ঘরে থেকে কাপরের ঝুড়ি নিয়ে বাইরে এসে দেখে মিলিটারি পুলিশ। 

দেখা মাত্রই ডেভিডের কাছে থাকা পিস্তল দিয়ে দুইজন সেনা পুলিশ কে মেরে ফেলে।

 এর পরে ডেভিড কে মারতে রিচার্ড ও সেনা পুলিশের সাথে গোলাগুলি হয়। 

 মিস পিটারসন ঘরে গিয়ে পালালে ডেভিড তার ব্যাগ আনতে ঘরে যায়।

তখন ডেভিড কে মিস পিটারসন বলে এগুলো কি হচ্ছে। 

ডেভিড মিস পিটারসন কে বলতে পারে না যে সেনাবাহিনীর একটা গোপন মিশনের অংশ ডেভিড।

মিস পিটারসন ডেভিড কে ধরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে ডেভিড মিস পিটারসন কে ছুড়ি দিয়ে মেরে ফেলে। 

মিলিটারি অফিসার রিচার্ড ব্যাকআপ নিয়ে ডেভিড কে মারতে ঘরে গেলে ডেভিড ঘরে থাকা একটি গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়।

যাওয়ার সময় বাইরে থাকা সব গাড়ির চাকায় গুলি করে লিক করে দেয়। 

ডেভিড গাড়ি চালিয়ে যাওয়ার পথে তার সামনে পড়ে মিঃ পিটারসন এর গাড়ি। ডেভিড ভালো করে সীটবেল পড়ে মিঃ পিটারসনের উপর গাড়ি ওঠিয়ে দেয়। এরপরে ডেভিড মিঃ পিটারসন কে একটা গুলি করে পালিয়ে যায় আন্না কে মারার জন্য।

আন্না কে মিলিটারি অফিসার রিচার্ড হোটেল থেকে বের করে নিয়ে যায় এক দিক দিয়ে আর অন্য দিক দিয়ে ডেভিড ও আন্না কে মারার জন্য হোটেলে প্রবেশ করে।

প্রবেশ করে ডেভিড জানতে পারে আন্না চলে গেছে।

ডেভিড তাকে গুলি করে দুটি গ্রেনেড দিয়ে পুরো হোটেল ওড়িয়ে দেয়।

এর পরে আন্না আর লুক কে মারতে ডেভিড লুকের স্কুলে যায়।

স্কুলে আন্না আর মিলিটারি পুলিশ লুক কে নিয়ে পালিয়ে যাবে তখন ই ডেভিড রিচার্ড কে মেরে ফেলে।

আন্না লুক কে লুকিয়ে ডেভিড কে অন্য দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তখন ডেভিড আন্নার ফাঁদে পা দিলে আন্না ডেভিড কে গুলি করে।

গুলি করার পর আন্না দেখে ডেভিড ধোঁয়ায় মিশে গেছে।

ডেভিড ছুরি দিয়ে আন্নার পায়ে আঘাত করে।

ডেভিড আন্না কে গলা টিপে মেরে ফেলছে। 

এমন সময় পিছনে থেকে লুক এসে ডেভিডের দেওয়া ছুরি দিয়ে ডেভিড কে মেরে ফেলে। 

এর পরো পুরো জায়গায় আগুন লেগে যায়।

শেষে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আন্না পিটারসন ও লুকে পিটারসন কে উদ্ধার করে।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পুলিশ কে জানায় যে দুজনের লাশ পাওয়া গেছে। একজনের হাত মিসিং। 

এরপরে ফায়ারসার্ভিসের ৩ জন কর্মি বেড়িয়ে আসে।

আন্না তাকিয়ে তাদের এক এক করে বের হতে দেখছে। 

শেষের জনের দিকে তাকিয়ে আন্না দেখতে পায় ডেভিড।

ডেভিড মারা যায় নি।

এভাবেই শেষ হয় দ্য গেস্ট ২০১৪ সালের আমেরিকার মিস্টি থ্রিলার একশন মুভি।


[♦Extra Info: সিরীয় জনসংখ্যার অভিবাসনের জীবন অনেক চলচ্চিত্র নির্মান হয়েছে। এসব মুভি গুলো দেখলে বাস্তব জীবনের দি গেস্ট মুভির কাহিনি কেও হার মানিয়ে দেয়।

যদি "দি গেষ্ট" মুভির মতো আরো কিছু দেখতে চান তাহলে তুর্কী চলচিত্র "আলেপ্পো টু ইস্তাম্বুল বাই দ্য গেস্ট" শিরোনামের চলচ্চিত্রটি দেখতে পারেন।

যা যুদ্ধাহতদের সত্যিকারের জীবনের গল্পের উপর ভিত্তি করে নির্মিত। 

যেখানে অভিবাসন শিবিরে বেঁচে থাকার জন্য জীবনের শেষ সম্বলটুকু বিলিয়ে দিয়ে সংগ্রাম করে বেঁচে থাকতে চায়।

:Ending♦]




একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

1 মন্তব্যসমূহ

নামহীন বলেছেন…
প্রত্যেক টা মুভির লিংক দেওয়ার অনুরোধ করছি, আমরা খুঁজে পাচ্ছি না