Ticker

6/recent/ticker-posts

পুতুল যখন খুনি দোষ তখন ছোট বাচ্চার - Child's Play Movie Explain Bangla

 

Child's play movie explain in bangla, child's play movie download, child's play movie explain,

মুভির শুরুতে আমরা এক কিলারকে দেখতে পাই। যার নাম হলো চার্লি। সে পুলিশের কাছ থেকে ভাগতে ছিল। আর পুলিশ তাকে কয়েকবার গুলি করার চেষ্টা করে।

চার্লির বন্ধু তাকে  রেখেই গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়। এদিকে চার্লির পিছনে পুলিশ ধাওয়া করতে থাকে। চার্লি এক সময় একটি টয় শপ এর ভিতরে প্রবেশ করে। পুলিশটি চার্লি কে একটি গুলি করলে সে বুঝতে পারে যে সে মারা যাচ্ছে।

চার্লি গুলি খেয়ে একটি খেলনার উপর পড়ে যায়। সেই খেলনাটির নাম ছিল "গুড গায়েস"। সে একটি ব্ল্যাক ম্যাজিক জাদু জানত সে তার নিজের আত্মাকে গুড গায় পুতুলের ভিতরে ব্ল্যাক ম্যাজিকের মাধ্যমে ট্রানস্ফার করতে থাকে।

এমন সময় আকাশে বিদ্যুৎ চমকায় আর পুলিশটি ভয় পেয়ে যায় একসময় পুরো টয় শপ টি ধ্বংস হয়ে যায়। কিন্তু পুলিশ অফিসারটি বেঁচে যায় এরপর পুলিশ অফিসারটি দেখতে পাই যে চার্লির মরদেহটি পড়ে আছে।

এর পরের দৃশ্যে আমরা দেখতে পাই ছোট একটি বাচ্চা যার নাম হলো এন্ডি। আর আজ ছিল এন্ডির এর জন্মদিন। ও তার মায়ের সাথে গিফট গুলো খুলতে থাকে। কিন্তু তারপরও তার মন মরা ছিলো। কারণ এন্ড একটি গুড গায় পুতুল প্রয়োজন।

এর পরের দৃশ্যে আমরা দেখতে পাই অ্যান্ডির মা তার বান্ধবীর সাথে কথা বলছে। তার বান্ধবী তাকে জানায় যে কেউ কম দামে একটি গুড গায় পুতুল বিক্রি করছে। 

অ্যান্ডির মা গিয়ে সেই গুড গায় পুতুলটি কম দামে অ্যান্ডির জন্য কিনে নেয়। অ্যান্ডির মা যখন তাকে গুড গায় পুতুলটি দেয় তখন অ্যান্ডি অনেক খুশি হয়ে যায়। এরপরে ওই পুতুলটি অ্যান্ডি কে তার নাম চ্যাকি বলে।রাতে অ্যান্ডির মা নাইট শিফটে কাজের জন্য বেরিয়ে যায় এবং তার বান্ধবীর কাছে অ্যান্ডি কে রেখে যায়।

এরপরে রাতে অ্যান্ডির মায়ের বান্ধবী টিভি বন্ধ করে অ্যান্ডি কে বিছানায় শুইয়ে দিতে যায়। কিন্তু টিভি বন্ধ করার পর টিভি টা একা একাই অন হয়ে যায়। আর টিভির সামনে তখন পুতুলটি বসা ছিল। তখন অ্যান্ডির মায়ের বান্ধবী পুতুলটি অ্যান্ডির কাছে দিয়ে আসে। 

ঠিক তখনই তাকে একটি হামার অ্যান্ড্রয়েড মায়ের মাথায় ছুড়ে মারে। অ্যান্ডির মায়ের বান্ধবী জানালা ভেঙ্গে নিচে থাকা একটি গাড়ির উপর পড়ে মারা যায়। এরপরে অ্যান্ডির মা যখন গাড়ি থেকে নেমে বাসায় আসে ঠিক তখন সে দেখতে পায় তার বাড়ির সামনে অনেক মানুষ জড়ো হয়ে আছে।

সে অনেক ঘাবরে যায় এবং দৌড়ে তার বাসায় গিয়ে অ্যান্ডির কাছে যায়। সবাই এই মৃত্যুর দ্বায় অ্যান্ডির উপর চাপিয়ে দেয়। কিন্তু অ্যান্ডি তার মাকে বলে যে আন্টি কে চ্যাকি মেরেছে। অ্যান্ডি তার মাকে বলে যে পুতুল চ্যাকি তার সাথে কথা বলে। তার নাম চার্লস। 

পরের দিন অ্যান্ডির মা অ্যান্ডি কে পুতুলের সাথে নিয়েই স্কুলে দিয়ে। আছে কিন্তু অ্যান্ডি স্কুলে না গিয়ে অন্য কোথায় যেতে থাকে। আর এসব জায়গায় পুতুলের কথায় অ্যান্ডি যেতে থাকে এক সময় অ্যান্ডি চার্লসের বন্ধুর বাসায় চলে আসে। 

চার্লির বন্ধুর বাসায় গিয়েছ অ্যান্ডি তার গ্যাসের চুলা বন্ধ করে দিয়ে আসে। চার্লির বন্ধু যখন বুঝতে পারে যে রান্না ঘরে কেউ আছে। সে তখন দরজা খুলে রান্না ঘরে গিয়ে গুলি করার সাথে সাথেই পুরো ঘরটি ব্লাস্ট হয়ে চার্লির বন্ধু মারা যায়। 

আর এবারও পুরো হত্যার দ্বায়ভার অ্যান্ডির উপর চাপিয়ে দেওয়া হয়। প্রতিবারের মতো এবারও অ্যান্ডি বলে যে এই কাজ  চ্যাকির। কিন্তু কেউ অ্যান্ডির কথা বিশ্বাস করে না। এরপরে অ্যান্ডিকে একটি সাইক্রেটিক হাসপাতালে ভর্তি করে দেওয়া হয়। এরপরে অ্যান্ডির মা বাসায় আসে। ঠিক তখন সে দেখতে পায় যে চ্যাকির ব্যাটারিটি। অ্যান্ডির মা বুঝতে পারে যে এতদিন চাকি ব্যাটারি ছাড়াই চলেছিল।  

অ্যান্ডির মা তখন চ্যাকির সামনে গিয়ে চ্যাকির সাথে কথা বলতে থাকে। কিন্তু চ্যাকি কথা বলে না। হটাৎ একসময় চাকি অ্যান্ডির মায়ের উপর আক্রমন করে। সে তখন দৌড়ে বাসা থেকে বেরিয়ে পুলিশ অফিসারের কাছে চলে যায় এবং তাকে সব খুলে বলে। অ্যান্ডি এতদিন যা যা বলেছে তা সব সত্য কথা। চ্যাকি নিজে নিজে কথা বলতে পারে আর সেই এসব কাজ করছে।

এরপরে অ্যান্ডির মা সেই পুতুল বিক্রেতার কাছে যায় যার কাছ থেকে এই পুতুলটি সে কম দামে ক্রয় করেছিল। সে জানায় যে তার দোকান থেকে একটি পুতুল চুরি হয়ে গিয়েছিল। এরপর ওই পুলিশ অফিসার জানাই যে, সে একজনকে কিলার কে মেরেছিল যার নাম ছিল চার্লি। 

পুলিশ অফিসার এসব ভাবতে ভাবতে গাড়ি চালাচ্ছিল। হঠাৎ পিছন থেকে চ্যাকি তার গলায় কিছু পেচিয়ে তাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করলে একসময় গাড়িটি উলটে যায়। এবং চাকি পুলিশ অফিসার এর উপর আক্রমণ করার সময়, পুলিশ অফিসার একটি গুলি দিয়ে চাকি কে মারলে, চাকি পালিয়ে তার মাস্টারের কাছে যায় যে তাকে ব্ল্যাক ম্যাজিক জাদু শিখিয়েছিল।

চ্যাকি তার মাস্টার কে বলে যে আমায় গুলি করা হয়েছে। গুলি খেয়ে আমার খারাপ লাগছে, আমি ভয় পেয়েছি।  মাস্টার তাকে বলে যে তোমার আত্মা পুতুলের ভিতর। পুতুল না থাকলে তুমিও থাকবে না। 

চ্যাকি বলে যে আমি মানুষ হবো। মাস্টার বলে তুই কখনোই মানুষ হতে পারবি না। এটা শুনে চ্যাকি তার মাস্টারের উপরে অ্যাটাক করে। মাস্টার বাধ্য হয়ে বলে তুই মানুষ হতে পারবি। অ্যান্ডির ভিতরে তোর আত্মা কে প্রবেশ করাতে হবে। চ্যাকি তার মাস্টার কে মেরে চলে যায়।

এর পরেই অ্যান্ডির মা ও পুলিশ অফিসারটি মাস্টারের রুমে প্রবেশ করে এবং মাস্টার কে দেখতে পায়। সে মারা যাচ্ছে অ্যান্ডির মাকে মাস্টার সব খুলে বলে। এটাও বলে যে চাকি কে মারতে হলে তার বুকে একটি ছুরি মারতে হবে নয়তো চাকি কখনোই মরবে না।

এরপর চাকি অ্যান্ডি কে যে হাসপাতালে রাখা হয়েছে সে হাসপাতালে যায়। অ্যান্ডি জানালা দিয়ে চাকি কে দেখে ভয় পেয়ে যায়। কিন্তু ডাক্তার অ্যান্ডি কে ধরে ফেলে ঠিক। তখনই চাকি ডক্টরকে কারেন্টের শক দিয়ে মেরে ফেলে।

অ্যান্ডি ভয় পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে। কিন্তু চাকি তাকে ধরে ফেলে। এরপর চাকি তার আত্মা অ্যান্ডির শরীরে ব্লাকবোর্ড ম্যাজিক করে প্রবেশ করাতে চেষ্টা করে। ঠিক তখনই অ্যান্ডির মা ও পুলিশ এসে দেখতে পায় পুতুল চাকি তার আত্মার ট্রান্সফার করছে। অ্যান্ডির মা চাকি কে সরানোর করার চেষ্টা করলে চাকি অ্যান্ডির মাকে কামড় দেয়। আর ছুড়ি নিয়ে পুলিশ অফিসারের পায়ের ভিতর ঢুকিয়ে দেয়।

এক সময় অ্যান্ডির মা চাকি কে ফায়ার প্লেসের ভিতর ফেলে দেয়। অ্যান্ডি কে অ্যান্ডির মা ফায়ার প্লেসে আগুন জ্বালাতে বলে। কিন্তু চাকি অ্যান্ডি কে আগুন জ্বালাতে না করে। আরো বলে আমরা দুজন বন্ধু,  কিন্তু অ্যান্ডি আগুন জ্বালিয়ে চাকি কে পুড়িয়ে ফেলে। 

কিন্তু চাকি আবার অ্যান্ডির উপর আক্রমণ করে। অ্যান্ডির মা চাকি কে গুলি করে মাথা উড়িয়ে দেয়। কিন্তু যাকে মাথা ছাড়াই হাঁটতে থাকে এবং অ্যান্ডির উপর আক্রমণ করতে যায়। সবাই ভাবে যে চাকি মারা গেছে কিন্তু না  আাকি আবারও সবার উপর হঠাৎ করে আক্রমণ করে। কিন্তু এবার পুলিশ অফিসার চাকির বুকে গুলি করে। এবার চাকি মারা যায়।

এভাবেই প্রথম পার্ট শেষ হয়।

দ্বিতীয় পর্বে আমরা দেখতে পাই চাকি মারা যাওয়ার দুই বছর পর থেকে কাহিনী শুরু হয়েছে। প্রথম পার্টে আমরা দেখতে পাই চাকি পুরো ধ্বংস হয়ে গেলেও তার মাথাটুকু বেঁচে ছিল। এই কোম্পানির সিইও প্রমাণ করার চেষ্টা করে যে এই পুতুলের কোন খারাপ কিছু নেই।

এরপর আমরা শুনতে পাই যে অ্যান্ডির মাকে মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এরপর গুডগাই পুতুল কোম্পানির সিইও ওই জায়গায় পৌঁছায় যেখানে চাকি নামের সব পুতুলগুলো তৈরি করা হয়। এরপরে ওই লোক চাকি নামের পুতুল টিকে ফেলে দেয় কিন্তু চাকি আবার জীবন্ত ফিরে আসে। 

এরপর আমরা দেখতে পাই, অ্যান্ডির মন থেকে তখনো চাকিকে ভুলে নাই। তাই অ্যান্ডি কে তার কেয়ারটেকার অন্য এক দম্পতির কাছে পালক হিসেবে পাঠিয়ে দেয়।


দ্বিতীয় পর্ব Coming Soon……

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ